Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

ভাষা শহিদ

মাতৃভাষার জন্য বিশ্বের প্রথম আত্মোৎসর্গকারী


বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি। আর বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। কিন্তু সেই মাতৃভাষা একদিন হারাতে বসেছিল তার নিজের মর্যাদা। এদেশের কোটি কোটি মানুষের মুখের ভাষা, গানের ভাষা, সাহিত্যের ভাষা বাংলাকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দানে একদিন অস্বীকার করে বসলেন । বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি পাকিস্তানের জাতির পিতা মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ এবং প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান মেনে নিলেন না। তারা বার বার ঘোষণা দিলেন : উর্দু, একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট এবং তার কয়েকমাস পরই অর্থাৎ ১৯৪৮ সাল থেকেই রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে শুরু হয়ে যায় আন্দোলন । ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস পালিত হয়।

বাংলা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ১৯৪৯, ১৯৫০ এবং ১৯৫১ সালের ১১ মার্চ প্রতিবার নিয়মিত রাষ্ট্রভাষা দিবস পালিত হয়। কিন্তু শাসকগোষ্ঠী বাঙালি জাতির প্ৰাণপ্ৰিয় দাবি মেনে না নিয়ে উল্টো বাংলা ভাষার বর্ণমালা পরিবর্তন করে উর্দু হরফে বাংলা লেখার কথা ঘোষণা করে। এই ঘোষণার ভেতর দিয়ে যে্নো আগুনে ঘূতাহুতি দেয়া হয় ।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে ঢাকা শহরের স্কুল-কলেজের ছাত্ররা ধর্মঘট ও ছোট ছোট শোভাযাত্রা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন প্রাঙ্গণে সমবেত হতে থাকে ।

এদিকে আন্দোলন দমন করার জন্য সরকার শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে । মোতায়েন করে পুলিশ প্রহরা। কিন্তু ছাত্ররা ঠিক করে তারা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেই শোভাযাত্রা চালিয়ে যাবে।

ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে প্রাদেশিক পরিষদের দিকে যাবার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠি চার্জ করে, কাদানে গ্যাস ছেড়ে এবং ছাত্রদের গ্রেফতার করতে শুরু করে। এতে ছাত্ররা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এই সময় তাদের সঙ্গে এসে যোগ দেন সাধারণ মানুষজনও। আন্দোলন সংগ্রামে রূপান্তরিত হয়। এই দিনই অপরাহে বাংলা ভাষার দাবিতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশ গুলি বর্ষণ করে। সেই গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক ও জব্বারসহ একঝাক তরুণ তাজা প্রাণ রাজপথে চিরকালের জন্য ঢলে পড়ে ।

এই দিন অর্থাৎ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে যারা নিহত হয়েছিলেন, তারাই হলেন আমাদের অমর ভাষা শহিদ ।

শহিদ রফিকউদ্দিন আহমদ

রফিক উদ্দিন আহমদ ছিলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজের দ্বিতীয় বর্ষ বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র । জন্ম হয়েছিল মানিকগঞ্জ জেলার পারিল বলধারা গ্রামে ১৯২৬ সালের ২৩ অক্টোবর। পিতার নাম আবদুল লতিফ। আবদুল লতিফ ছিলেন ঢাকার বান্দমতলীস্থ কমার্শিয়াল প্রেসের মালিক ।

রফিক স্থানীয় বয়রা স্কুল থেকে ১৯৪৯ সালে ম্যাট্রিক পাশ করে মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজে ভর্তি হন। কিন্তু কোনো কারণে পড়াশোনা ছেড়ে দেন এবং ঢাকা চলে এসে পিতার প্রেস পরিচালনা কাজের সঙ্গে যুক্ত হন।

তিনিও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির আন্দোলনের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে ঢাকায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন । পুলিশ যখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল প্রাঙ্গণে মিছিলের ওপর গুলি চালায়, তখন তা রফিকউদ্দিনের মাথায় লাগে। তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পুলিশ জোর করে তাঁর মরদেহ প্রথমে মেডিক্যাল কলেজের মৰ্গে নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে সামরিক বাহিনীর প্রহরায় ঢাকার আজিমপুর কবরস্তানে দাফন করা হয়। রফিকউদ্দিনই ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদ। কিন্তু তাঁর কবরের কোনও চিহ্ন নেই। ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদের সব স্মৃতি তৎকালীন পাক সরকার মুছে দিয়ে গেছে। অবশ্য তার পরিচালিত প্রেসটি এখনো টিকে আছে।

শহিদ আবুল বরকত

আবুল বরকত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এম. এ. ক্লাশের ছাত্র। তার জন্ম হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বাবলা গ্রামে ১৯২৭ সালের ১৬ জুন। তিনি স্থানীয় তালিবপুর হাই স্কুল থেকে ১৯৪৫ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন এবং বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকেই আই. এ. পাশ করেন। পরে দেশ ভাগের পর ১৯৪৭ সালে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৫১ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বি. এ. অনার্স পাশ করেন। এরপর রাষ্ট্রবিজ্ঞান শাস্ত্ৰে এম. এ. ক্লাসে ভর্তি হন।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পুলিশ গুলি বর্ষণ করলে হোস্টেলের ১২ নম্বর শেডের বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন ।

তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। তিনি ওইদিনই (২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২) রাত আটটায় মারা যান। ভাষা আন্দোলনের অন্যতম অমর এই শহিদকে আজিপুর গোরস্তানে কবর দেয়া হয়েছে।

শহিদ আবদুল জব্বার

ভাষা শহিদ আবদুল জব্বার ছিলেন একজন গ্রামীণ কর্মজীবী। জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাঁচুয়া গ্রামে বাংলা ১৩২৬ সালের ২৬ আশ্বিন । তিনি স্থানীয় পাঠশালায় কিছুদিন পড়াশোনা করেছিলেন। তবে আর্থিক কারণে আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি।

পরে ১৫/১৬ বছর বয়সে জীবিকার সন্ধানে তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরে এসে ওঠেন। সেখানে তিনি এক ইংরেজ সাহেবের নজরে পড়েন এবং তার অনুগ্রহেই একটি চাকরি পেয়ে যান। কিন্তু তার কর্মস্থল হয়েছিল বাৰ্মা। তিনি বাৰ্মা গিয়ে ইংরেজি ভাষা শিক্ষা ছোটখাট ব্যবসাও শুরু করেন।

ক্যান্সারে আক্রান্ত তাঁর শাশুড়ির চিকিৎসার জন্য তিনি ১৯৫২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা আসেন। শাশুড়িকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করিয়ে দেন।

২১ ফেব্রুয়ারি (১৯৫২) যেদিন রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে সংগ্রামী ছাত্র-জনতার বিশাল সমাবেশ ঘটে, সেদিন তিনিও সেই সমাবেশে যোগদান করেন। আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে তিনিও তার শিকার হন। তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। তিনি ইন্তেকাল করেন (২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২)। তাঁরও কোনও কবর নেই। তিনিও অন্যতম অমর ভাষা শহিদ। তাঁর একমাত্র সন্তান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন ।

শহিদ আবদুস সালাম

আবদুস সালাম ছিলেন শুল্ক বিভাগের পিওন । তিনিও ২১ ফেব্রুয়ারি গুলিবিদ্ধ হন। তাঁর জন্ম ফেনী জেলার লক্ষণপুর গ্রামে। পিতার নাম মোহাম্মদ ফাজিল মিয়া। তিনি চাকরি করতেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ডিরেক্টর অব ইন্ডাস্ট্রিজে। বাসা ছিল ৩৬-বি, নীলক্ষেত ব্যারাকে ।

কলেজ হোস্টেলের সামনে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সংঘটিত বিক্ষোভে তিনিও অংশগ্রহণ করেছিলেন। বিক্ষোভরত ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশ গুলিবর্ষণে তিনি গুরুতর আহত হলো তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। দেড়মাস চিকিৎসাধীন থেকে ইন্তেকাল করেন। এই অমর ভাষা শহিদেরও কবরের কোনো চিহ্ন নেই।

এর পরের দিন অর্থাৎ ২২ ফেব্রুয়ারি (১৯৫২) যারা শহিদ হন, তাদের মধ্যে ছিলেন :

শহিদ শফিউর রহমান

তিনি ছিলেন ঢাকা হাইকোর্টের কর্মচারী। পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার কোন্নগর গ্রামে তিনি ১৯১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। কোলকাতা গভর্নমেন্ট কমার্শিয়াল কলেজ থেকে আই. কম. পাশ করার পর চব্বিশ পরগনার সিভিল সাপ্লাই অফিসে কেরানির পদে চাকুরি গ্রহণ করেন। ১৯৪৫ সালে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত হলে তিনি চব্বিশ পরগনা ছেড়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ঢাকায় চলে আসেন। কেরানি পদে চাকুরি গ্রহণ করেন ঢাকা হাই কোর্টের হিসাব রক্ষণ বিভাগে । ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে দশটার দিকে পুরনো ঢাকার বাড়ি থেকে সাইকেলে চেপে অফিসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। নবাবপুর রোডের কাছে এলে তিনি বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য বিক্ষোভরত ছাত্র-জনতার মিছিলের সম্মুখে পড়েন। এই সময় পুলিশ ওই মিছিলের ওপর গুলি চালালে শফিউরের পিঠে গুলি বিদ্ধ হয়। আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে সন্ধ্যে সাতটায় তিনি মারা যান। সেইদিনই রাত তিনটায় শহিদ শফিউরকে পুলিশের কড়া প্রহরায় আজিমপুর গোরস্তানে দাফন করা হয় ।

আবদুল আউয়াল

পিতা মোহাম্মদ হাসেম । ২২ ফেব্রুয়ারি শোক মিছিলের সময় কার্জন হলের সামনের রাস্তায় সামরিক বাহিনীর ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে তিনি মারা যান।

অহিউল্লাহ দশ বছরের কিশোর। ২২ ফেব্রুয়ারি নবাবপুর রোডে মিছিলের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

এছাড়াও এক অজ্ঞাত পরিচয় বালক সম্ভবত তিনিও ২২ ফেব্রুয়ারি মিছিলের সময় সামরিক বাহিনীর ট্রাকের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে মারা যান। এরা সকলেই ছিলেন অমর ভাষা শহিদ। বিশ্বের দরবারে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করা এবং পরবর্তী সময়ে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশের এঁরাই ছিলেন মূল স্থপতি এবং সকল সংগ্রামের অনুপ্রেরণা দাতা।

  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ