Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন

অর্থনীতিবিদ চেয়ারম্যান, ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি


ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’র সপ্তম গর্ভনর।

মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ১৯৪২ সালের ১৮ এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলাধীন মাধবপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম মোহাম্মদ মাহতাবউদ্দিন এবং মাতা মরহুমা চমকচান।

আজীবন মেধাবী মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন পিতা প্রতিষ্ঠিত রতনপুর প্রাইমারি স্কুল থেকে ১৯৫০ সালে দ্বিতীয় শ্রেণি ও তিন মাইল দূরে জগদীশপুর হাইস্কুল থেকে ১৯৫৩ সালে ষষ্ঠ শ্রেণীর লেখাপড়া শেষ করেন। ১৯৫৮ সালে সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক এবং ১৯৬০ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে আইএসসি পাস করেন। উভয় পরীক্ষাতেই সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছিলেন।

মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৩ সালে অর্থনীতিতে সম্মানসহ বিএ এবং ১৯৬৪ সালে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন; দু’বারই তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৭৮ সালে কস্ট-বেনিফিট অ্যানারাইসিস বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেনÑ তাঁর তিনজন সুপারভাইজার ছিলেন পেরুর প্রফেসর ড্যানিয়েল শিডলস্কী, ইংল্যান্ডের প্রফসর রবার্ট লুকাস ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রফেসর গুস্টভ পাপানেক।

পঞ্চাশ বছরের কর্মজীবনের শুরুতে মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ১৯৬৪-৬৬ এই আড়াই বছর আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে প্রভাষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৬ সালে তদানীন্তন পাকিস্তানের সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিস পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান করে সিএসপি ক্যাডারে  যোগদান করেন। জামালপুরের (১০টি থানা ২০ লক্ষ লোক, বর্তমানে দু’টো জেলায় বিভক্ত) সহকুমা প্রশাসক, রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও করাচির অতিরিক্ত কমিশনার হিসাবে মাঠ পর্যায়ে কর্ম অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হন মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। এছাড়াও তিনি কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান অথবা পরিচালক হিসাবে কাজ করেন।

তদানীন্তন ব্রিটিশ টোব্যাকো কোম্পানিতে সরকার মনোনীত পরিচালক হিসাবে এ কোম্পানিতে দেশের স্বার্থ এবং বাংলাদেশি কর্মকর্তাগণের জন্যে বিদেশিদের সঙ্গে তুলনীয় সুযোগ-সুবিধা আদায় করেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়ার সাথেও সংশ্লিষ্ট ছিলেন। কন্ট্রোলার অব ক্যাপিটাল ইস্যজ হিসাবে কাজ করার সময় আশির দশকের শুরুতে ব্যাংক ও বীমা খাতকে ব্যক্তিখাতে উন্মুক্ত করে দেওয়ার নীতি নির্ধারণে এবং বাস্তবায়নের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখেন। একই সময়ে অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব (বিনিয়োগ ও ব্যাংকিং) হবার সুবাদে গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৫৪ প্রণয়নে একজন মূল চালিকাশক্তি ছিলেন ড.  মোহাম্মদ ফরাউদ্দিন।

১৯৯৮-২০০১ সময়ে বাংলদেশ ব্যাংকের গর্ভনর হিসাবে অনেক সংস্কারের কাজ শুরু করেন। ঋণ খেলাপকে সামাজিক সন্ত্রাস হিসাবে ঘোষণর করে শক্তিধর ৫৭জন ঋণখেলাপিকে  শাস্তি প্রদান, মানি লন্ডারিং এর অপকর্মে জড়িত বিদেশিসহ শীর্ষস্থানীয় ৩৭জন ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, নিজ ব্যাংক থেকে মালিক পরিচালকগণের আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ঋণ গ্রহণ বন্ধ করা, শুধুমাত্র রাজনীতির কারণে ব্যাংকের বেতনভূক উপদেষ্টার পদ গ্রহণ নিষিদ্ধ করা, ব্যাংক মালিক বনাম ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দ্বন্দ্ব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ব্যতিরেকে ব্যবস্থাপনার শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও পদচ্যুতি বন্ধ কওে সুস্থ, সবল, দক্ষ ও স্বচ্ছ ব্যাংক ব্যবস্থাপনার সূচনা করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে মেধা আকর্ষণ ও মেধাবীদের ধরে রাখার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন গভর্নর ফরাসউদ্দিন। তার সময়ে মূল্যস্ফীতি শতকরা ০২ (দুই) শতেকর নিচে রাখা সম্ভব হয়েছিল। তিনি সামষ্টিক অর্থনীতির সাথে মৃদ্রানীতির অর্থবহ সমন্বয় সাধনে গবেষণার উৎসাহ ঈস্খদান মানসে ২০০১ সাওে অর্থনীতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক পুরস্কারের প্রচলন করেন; এর প্রথম পুরস্কাপ্রাপ্ত প্রফেসর রেহমান সোবাহন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য আলাদা বেতন স্কেল অর্জনের অসমাপ্ত প্রচেষ্টায় শক্তিশালী অবস্থান নেন ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।।

২০১৩-১৪ সময়ে ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বাংলাদেশের জাতীয় বেতন ও চাকরি কমিশনের চেয়ারম্যান (সুপ্রিম কোর্টের আপীল  বিভাগের বিচারপতি পদমর্যদায়) হিসাবে যথাসময়ে প্রতিবেদন প্রণয়ন করে জমাদান করেন। ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ১৯৮৫-১৯৯৬ সময়ে আন্তর্জাতিক মেধা প্রতিযোগতিায় সফল হয়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি ইউএনডিপির তিনটি দেশে প্রথমে উপ-আবাসিক প্রতিনিধি ও পরবর্তীতে আবাসিক প্রতিনিধি হিসাবে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় মাথাপিছু আয়ের বদলে টেকসই মানব উন্নয়নের সূচকের মাপকাঠি হিসাবে রিচার্ড জলি-মাহাবুবুল হক প্রণীত হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (এইচডিআই) নামে উন্নয়নের মান মাপের বিকল্প পন্থার উদ্ভব প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত ছিলেন ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

এ ছাড়াও ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিল ও ঢাকা সিটি কলেজের ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পৃক্ত থাকেন। ছেলে বেলা থেকেই গ্রামে ও শহরে বিভিন্ন শিক্ষা ও সংস্কৃতিমূলক কর্মকা-ে তিনি অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন এখন এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান। ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন একাধিকবার শীর্ষস্থানীয় উন্নয়ন পর্যালোচনা সংস্থা বিআইডিএস-এর নির্বাচিত  সিনিয়র ফেলো এবং এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য নির্বাচিত হনা।

ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের অর্থনীতিতে প্রায় ২০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা রয়েছে যার মধ্যে আইবিএ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খন্ডকালীন ভিজিটর প্রফেসরশিপ অন্যতম। তবে কর্মজীবনে মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সুবর্ণ সময় ১৯৭৩-৭৫ সময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে প্রথমে প্রধানমন্ত্ররি কার্যালয় ও পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির কার্যলয়ে কাজ করে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে অনেক কর্মকান্ডের সূচনা করে প্রত্যক্ষ করে হাতে-কলমে ব্যবহারিক শিক্ষা লাভ করেন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং আর্র্থ-সামাজিক অগ্রগতির একজন অত্যন্ত আশাবাদী বিশ্লেষক এ বিষয়ে গবেষণা ও বস্তুনিষ্ঠ লেখালেখি এবং আলোচনা করে প্রশংসিত হয়েছেন ড. ফরাসউদ্দিন। তিনি বাংলাদেশের পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা দলিলের মূল্যায়ন কমিটির সদস্য ছিলেন। শাসমুল হক শিক্ষা কমিটির (১৯৯৭) একজন নেতৃস্থানীয় সদস্য হিসাবে কুদরত-এ-খুদা কমিশনের মূল সুপারিশের অনুসরণে মাতৃভাষায় একমুখী শিক্ষা ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বৃত্তিমূলক শিক্ষার ব্যাপক প্রচলনের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করান। ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা দলিল প্রণয়নের পূর্বে জাতীয় অগ্রগতির দিকদর্শনমূলক বাংলাদেশ প্রেক্ষিত পরিকল্পনার (২০১১-২১) পরামর্শক কমিটির সদস্য হিসাবে ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নে তাঁর মৌলিক চিন্তা রয়েছে; এ সম্পর্কে বিভিন্ন উদ্যোগ, যথা অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল, উচ্চশিক্ষা কমিশন, উচ্চশিক্ষায় মৌলিক পরিবর্তনকারী কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের সঙ্গে ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বিশেষভাবে সম্পৃক্ত।

মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বঙ্গবন্ধু স্মারক বক্তৃতা (২০১১), শাহ মোহাম্মদ শামসুল কিবরিয়া স্মারক বক্তৃতা (২০১০), বিআইবিএম এর নুরুল মতিন স্মারক বক্তৃতা (২০১১ এথিকস ইন ব্যাংকিং), প্রফেসর মোজাফফর আহদে স্মারক বক্তৃতা (২০১২), ইঞ্জিনিয়ার এম এ জব্বার স্মারক বক্তৃতা (২০১৪) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৩তম জন্মদিন ১ জুলাই ২০১৪ সালে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় উচ্চশিক্ষার ভূমিকারসহ গবেষণাধর্মী একটি নিবন্ধ পেশ করেন। ২১-২২ জুন ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ ইকনমিস্টস ফোরামের প্রথম সম্মেলনে তিনি  ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অবকাঠামো প্রতিবন্ধকতা’ শীর্ষক নিবন্ধ পেশ করেন। ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের গণতন্ত্রের পথে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি (২০০৫) ও প্রথম দর্শনে বঙ্গবন্ধু (২০০৯) নামে দুটি পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান একাডেমি অব বিজনেস লিডারশিপ পদক, বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ, বিআইডিএস-বণিক বার্তা পদক, কবি সরোজিনি নাইডু স্বর্ণপদক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কার, সিলেট রতœ পদক ও খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ স্বর্ণপদক লাভ করেছেন ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

ড. ফরাসউদ্দিন এ বিশ্বাসে অটল রয়েছেন যে একটি আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক, প্রযুক্তিনির্ভর, প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথেই দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং তন্মধ্যে সন্নিবিষ্ট সুষম বিতরণ ব্যবস্থাধীনেই কাক্সিক্ষত মানব উন্নয়ন সূচক মধ্যম ধাপে পৌঁছে যাবে আগামী দেড় দশকে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার মূলতন্ত্র তথা রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি ও এর সামাজিক রূপান্তর এবং সাংস্কৃতিক ঐশ্বর্য বিকাশেই দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তোলাই আজকের দিনে সবচেয়ে বড় করণীয়।

  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ