Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

স্যার ফজলে হাসান আবেদ

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন ব্র্যাক


প্রতিটি দেশ ও জাতির গর্ব করার মতো কিছু বিষয় থাকে। স্যার ফজলে হাসান আবেদ তেমন-ই একজন এবং অন্যতম। তিনি বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্র্যাক’-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপারসন। দারিদ্র বিমোচন এবং দরিদ্রের ক্ষমতায়নে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাদের অন্যতম সর্বোচ্চ উপাধি ‘নাইটহুড উপাধি’-তে ভূষিত করে ফজলে হাসান আবেদকে।

১৯৩৬ সালের ২৭ এপ্রিল তদানীন্তন সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমার প্রত্যন্ত গ্রাম বানিয়াচংয়ে তাঁর জন্ম। সৈয়দা সুফিয়া খাতুন এবং সিদ্দিক হাসানের দ্বিতীয় সন্তান তিনি। জীবন ও কর্মসাধনায় তিনি অনন্য সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন।

তিনি পাবনা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি ব্রিটেনের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে নেভাল আর্কিটেকচারে ভর্তি হয়েছিলেন। সেটি বাদ দিয়ে তিনি লন্ডনের চার্টাড ইনস্টিটিউট অব ম্যানজমেন্ট অ্যাকাউন্টসে ভর্তি হন। ১৯৬২ সালে তিনি তাঁর প্রফেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন।

শিক্ষাজীবন শেষে দেশে ফিরে এসে ফজলে হাসান আবেদ শেল অয়েল কোম্পানিতে যোগ দেন এবং দ্রুত পদোন্নতি লাভ করে ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। শেল অয়েল কোম্পানিরত কর্মরত থাকাকালে ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর চট্রগ্রাম ও নোয়খালীর উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চলে স্মরণকালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ফজলে হাসান আবেদ সেদিন ঘুর্ণিউপদ্রুত মানুষের ত্রাণ ও কল্যাণে এগিয়ে এসেছিলেন। এসময় তিনি তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে ‘হেলপ (HELP-Heartland Emergency lifesaving Project) নামের একটি সংগঠন গড়ে তুলতে ঘূর্ণিউপদ্রুত ও জলোচ্ছ্বাসে ক্ষতিগ্রস্থ মনপুরা দ্বীপের বিপন্ন ও বিধ্বস্ত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। সেখানে তাঁরা ব্যাপক ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে হাসান আবেদ ইংল্যান্ডে চলে যান। সেখানে ‘অ্যাকশন বাংলাদেশ’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তুলে তার মাধ্যমে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন আদায়, তহবিল সংগ্রহ ও জনমত গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন।

‘ব্র্যাকপ্রতিষ্ঠা : ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে ফজলে হাসান আবেদ সদ্যস্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ১ কোটি শরণার্থী, যারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল, তার দেশে ফিরে আসতে শুরু করে। আবেদ ভারতপ্রত্যাগত শরণার্থীদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনকল্পে কাজ করার সিন্ধান্ত নেন। এসময় তিনি তাঁর লন্ডনের ফ্ল্যাট বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়ে ত্রাণকাজ শুরু করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া সিলেটের প্রত্যন্ত অঞ্চল শাল্লাকে তিনি তাঁর কর্ম-এলাকা হিসেবে বেছে নেন। এই কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায়ই তিনি ‘ব্র্যাক’ গড়ে তোলেন। গ্রামঞ্চলের দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে ফজলে হাসান আবেদেও দীর্ঘ অভিযাত্রার সূচনা ঘটে। দরিদ্র মানুষ যাতে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে নিজেরাই নিজেদের ভাগ্যনিয়ন্তা হয়ে উঠতে পাওে, সেই লক্ষ্যে তিনি তাঁর কর্মসূচি পরিচালনা করেন। চার দশকের মধ্যে তিনি তাঁর অভূতপূর্ব নেতৃত্বের মাধ্যমে কর্মকা-ের বিস্তার এবং বহুমাত্রিকতার দিক থেকে ব্র্র্যাককে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠনে পরিণত করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১১টি দেশে ব্র্যাকের লক্ষাধিক কর্মী প্রায় তের (১৩) কোটি মানুষের জীবনে উন্নয়নের স্পর্শ রেখে যাচ্ছে। ফজলে হাসান আবেদের সুযোগ্য নেতৃত্বই অজস্র প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ব্র্যাকের অনন্যসাধারণ এই অর্জনকে সম্ভব করে তুলেছে। বস্তুত প্রতিষ্ঠাতার স্বাপ্নিক দূরদৃষ্টি, অদম্য সাহস এবং গতিশীলতা ব্র্যাকের ক্রম অগ্রযাত্রা, নব নব নিরীক্ষা ও সম্প্রসারণের নিরন্তর অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে গেছে।

ক্ষুদ্রঋণ, শিক্ষা কার্যক্রম আড়ং : ব্র্যাকের সবচেয়ে বড় কার্যক্রম মাইক্রোফাইন্যান্স বা ক্ষুদ্রঋণ। বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তা হচ্ছেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। তিনিই ১৯৭৩ সালে ব্র্যাকের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি শুরু করেন। ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন করাই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য। ফজলে হাসান আবেদ মনে করেন, যার কিছু নেই, তার পরিচয় একটিই, তিনি দরিদ্র মানুষ। পৃথিবীর প্রতিটি দরিদ্র মানুষেরই ঋণ পাওয়ার অধিকার আছে, স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার আছে, অধিকার আছে সন্তানকে শিক্ষা দেওয়ার। একজন অসহায়, দরিদ্র মানুষকে এইসব অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখা যায় না। ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি জনপ্রিয়।

ফজলে হাসান আবেদ আশির দশকের মধ্যভাগে এসে ভাবলেন, বিশাল জনগোষ্ঠীকে নিরক্ষর রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। উন্নয়নের জন্য শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তিনি সিন্ধান্ত নিলেন আদৌ স্কুলে না যাওয়া এবং স্কুল থেকে ঝরে-পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য উপানুষ্ঠানিক স্কুল করবেন। ১৯৮৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু স্কুল চালু হলো। শুধু শিক্ষা নয়, শিক্ষাঙ্গনটাকেও আনন্দময় করে তোলার লক্ষ্যে ঐ স্কুল ভূমিকা রাখল। যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ব্র্যাক উপানুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছিল, বলা যায় তা সফল হয়েছে। ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষাপদ্ধতি এবং নিবিড় ব্যবস্থাপনা প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জনে নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশের গ্রামবাংলার দরিদ্র কারুশিল্পীদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করার কোনো সুযোগ ছিল না। ফজলে হাসান আবেদ উপলব্ধি করলেন, কারুশিল্পীদেরকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভও ও সচ্ছল করতে হলে চাই কর্মসংস্থান। এই কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ১৯৭৮ সালে নানা ধরণের গ্রামীণ কারুপণ্য বিপণনের জন্য ছোট পরিসরে কাজ শুরু করে ‘আড়ং’। বাংলাদেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিকতার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে ক্রমেই আড়ংয়ের পণ্যসামগ্রী জনপ্রিয় হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি বছরই আড়ংপণ্যের চাহিদা বেড়েছে, বিক্রি বেড়েছে। কারুশিল্পীদের জীবিকাসংস্থানের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পের বহুমাত্রিক পুনরুজ্জীবন ঘটেছে। সীমিত পরিসরে আড়ংয়ের কর্মকা- শুরু হলেও ক্রমেই তা শাখাপ্রশাখায় বিস্তৃত হয়ে একটি বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আড়ংয়ের পণ্য এখন বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে পড়েছে।

লবণগুড়ের স্যালাইন : সত্তরের দশকের শেষভাগে ব্র্যাক ডায়রিয়া প্রতিরোধে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেয়। ওই সময় ডায়রিয়া ছিল একটি মারাত্মক শিশুঘাতী রোগ। বিশেষত ৫ বছরের কমবয়সী শিশুরাই এই রোগে মৃত্যুর শিকার হতো। ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। কঠিন ডায়রিয়া হলে শিশু ৩-৪ ঘন্টার মধ্যেই মৃত্যুবরণ করে। অথচ এই রোগ প্রতিরোধ কারা তেমন কোনো দুরূহ কাজ ছিল না।

১৯৬৮ সালে ঢাকাস্থ কলেরা রিসার্চ ল্যাবরেটরি (বর্তমানে আইসিডিডিআর’বি) মুখে খাওয়ার স্যালাইন উদ্ভাবন করেছিল। এই স্যালেইন তৈরির উপদান ছিল লবণ, গুড় ও পানি এবং উপাদানগুলো বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরেই মেলে। আবেদ ভাবলেন, শুধু স্যালাইন তৈরির প্রক্রিয়াটি শিখিয়ে দিলেই মায়েরা ঘরে বসে স্যালাইন তৈরি করে ব্যবহার করতে পারবে। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলল। এরপর ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সারা বাংলাদেশে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে এক মুঠ গুড়, এক চিমটি লবণ এবং আধাসের পানি দিয়ে মায়েদেরকে স্যালাইন বানানো শেখানো হলো।

এখন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ জানে স্যালাইন কী এবং কীভাবে বানাতে হয়। এই জানা এবং শেখার পেছনে ফজলে হাসান আবেদ এবং ব্র্যাকের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

অসাধারণ এক মানুষ : প্রথাগত পথে পদচারণা করে ফজলে হাসান আবেদ নিঃসন্দেহে তাঁর পেশাজীবনের শীর্ষে উপনীত হতে পারতেন। ব্যক্তিগত জীবন ও জীবিকা এবং প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ধরাবাঁধা বৃত্তে তিনি হতে পারতেন এক সফলতম নায়ক। কিন্তু সেই জীবনের হাতছানি এড়িয়ে তিনি এদেশের দারিদ্রলাঞ্ছিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণসাধনায় আত্মোৎসর্গ করেছেন। সেই দীর্ঘ অভিযাত্রায় তিল তিল শ্রমসাধনায় ব্র্যাক অর্জন করেছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার স্বীকৃতি। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বহিবিশ্বের ১১ দেশে ব্র্যাকের কার্যক্রমের প্রসার ঘটেছে। দারিদ্র বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে ব্র্যাক। ব্র্যাকের ব্যয়সাশ্রয়ী উন্নয়নমডেল, অতি দরিদ্রদের উন্নয়নে প্রমাণিত সমধানকৌশল, দুর্যোগপরবর্তী সেবাদান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। দেশে-বিদেশে অগণন স্বীকৃতি, পুরস্কার এবং সম্মানসূচক উপাধি সর্বোপরি বিশ্বজুড়ে মানবকল্যাণে ব্রতী হয়ে তিনি অনন্য, অসাধারণ এক জীবন গড়ে তুলেছেন, যার বিশালতা পরিমাপ করাও রীতিমতো দুরূহ কাজ।

মানুষের প্রেসিডেন্ট : ২০০৪ সালে ফজলে হাসান আবেদকে ইউএনডিপি-ও মানবউন্নয়ন পুরস্কার প্রদানকালে ইউএনডিপি প্রধান বলেছিলেন, ‘দেশে ব্যাপক মানব-উন্নয়ন কর্মকা- পরিচালনার জন্য প্রথমবার আমরা এই পুরস্কার দিয়েছিলাম ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে। দ্বিতীয়বার পুরস্কার দেওয়ার আগে আমরা যখন বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর কর্মধারা পর্যালোচনা করছিলাম, তখন দেখা গেল, তাঁদের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন ব্র্যাকের ফজলে হাসান আবেদ। আমরা এবার তাই কোনো দেশের প্রেসিডেন্টকে পুরস্কার না দিয়ে ‘মানুষের প্রেসিডেন্ট’কে এই পুরস্কারে ভূষিত করছি।

বিশ্বের এক নম্বর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা : সুইজারল্যান্ডের জেনেভাভিত্তিক গণমাধ্যম সংগঠন ‘এনজিও অ্যাডভাইজার’-এর পর্যালোচনায় ব্র্যাক ২০১৬ ও ২০১৭ সালে বিশ্বের এক নম্বর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশ্বব্যাপি দারিদ্র্য বিমোচনে প্রভাব, নতুধারা প্রবর্তন, টেকসই উন্নয়ন এবং পরিচালনব্যবস্থার অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক ক্যাটাগরিতে ‘ব্র্যাক’ টানা দ্বিতীয়বারের মতো এই সম্মান অর্জন করেছে। সেরা ৫০০ উন্নয়ন সংস্থার তালিকা তৈরি করে তাদের কর্মকা- বিষয়ে নিরীক্ষা চালানোর পর এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১৩ সালে এই স্বীকৃতি প্রদান করেছিল ‘দি গ্লোবাল জার্নাল’। ঐ বছরও ‘ব্র্যাক’ এক নম্বর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার মর্যদায় ভূষিত হয়েছিল।

ব্র্যাক পেয়েছে পুরস্কার স্বীকৃতি : স্যার ফজলে হাসান আবেদের অনন্য নেতৃত্ব অজস্র প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ব্র্যাকের অনন্য সাধারণ অর্জনকে সম্ভব করে তুলেছে। বস্তুত প্রতিষ্ঠাতার স্বাপ্নিক দূরদৃষ্টি, অদম্য সাহস এবং গতিশীলতা ব্র্যাকের ক্রম অগ্রযাত্রা, নব নব নিরীক্ষা ও সম্প্রসারণের নিরন্তর অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে গেছে। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ব্র্যাকের কার্যক্রম নানা পুরস্কারের মধ্য দিয়ে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। ২০১৩ সালে ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রোজেক্ট ব্র্যাককে ‘ওয়াল্ড জাস্টিস প্রোজেক্ট রুল অব ল পুরস্কার’ প্রদান করে। ২০০৮ সালে প্রাপ্ত কনরাড এন হিলটন হিউম্যানিটেরিয়ান পুরস্কারও বিশেষভাবে উল্লেখ্য। মানবিক ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্বজুড়ে প্রচলিত পুরস্কারসমূহের মধ্যে এটিই বৃহৎ। পক্ষান্তরে ২০০৭ সালে ব্র্যাক বাংলাদেশের সর্ব্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ অর্জন করেছে।

পুরস্কার পেয়েছেন অগণন : স্যার ফজলে হাসান আবেদ সামাজিক ক্ষেত্রে তাঁর অনন্যসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০১৬ সালে ‘টমাস ফ্রান্সিস জুনিয়র মেডেল অব গ্লোবাল পাবলিক হেলথ’ পুরস্কার, খাদ্য ও কৃষিক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৫ সালে ‘ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ’ ২০১৪ সালে রাশিয়ান চিলড্রেন ফান্ড কর্তৃক ‘লেভ তলস্তয় স্বর্ণপদক’ এবং স্পেনের সর্ব্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘অর্ডার অব সিভিল মেরিট’ (অর্ডেন ডেল মেরিটো সিভিল), ২০১৩ সালে ‘ওপেন সোইটি প্রাইজ’, ২০১১ সালে কাতার ফাউন্ডেশন প্রবর্তিত শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্বের সর্Ÿোচ্চ পুরস্কার ‘ওয়াইজ প্রাইজ’, ২০১০ সালে দারিদ্র বিমোচনে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাজ্যের অন্যতম সর্বোচ্চ উপাধি ‘নাইটহুড উপাধি’, ২০০৯ সালে দ্য ওয়ার্ল্ড অন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ ফোরামের পক্ষ থেকে ‘অন্ট্রাপ্রেনিওর ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’, ২০০৮ সালে ‘ডেভিড রকফেলার ব্রিজিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ফেলোশিপ অব এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ’, ২০০৭ সালে ‘হেনরি আর, ক্রাভিস প্রাইজ ইন লিডারশিপ’, ‘ক্লিনটন গ্লোবাল সিটিজেনশিপ অ্যাওয়ার্ড’, দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সামাজিক উন্নয়নে অবদানের জন্য পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) কর্তৃক ‘আজীবন সম্মাননা’, ২০০৪ সালে ‘গেটস অ্যাওয়ার্ড পর গ্লোবাল হেলথ’ ও ‘মাহবুবুল হক অ্যাওয়ার্ড’, ২০০৩ সালে ‘গ্লেইটসম্যান ফাউন্ডেশন পুরস্কার,’ ২০০২ সালে ‘দ্য শোয়াব ফাউন্ডেশন সোশ্যাল অন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ অ্যাওয়ার্ড’, ২০০১ সালে ‘ওলফ পামে অ্যাওয়ার্ড’, ১৯৯২ সালে ‘মরিস পেট অ্যাওয়ার্ড’, ১৯৯০ সালে ‘অ্যালানশন ফেইনস্টেইন ওয়ার্ড পুরস্কার’, ১৯৮৫ সালে ‘ইউনেস্কো নোমা পুরস্কার’, ১৯৮০ সালে ‘ র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড’-এ ভূষিত হন।

বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন সম্মানসূচক ডিগ্রি: স্যার ফজলে হাসান আবেদ বিশ্বের নানা প্রতিষ্ঠান থেকে পেয়েছেন বহু সম্মানসূচক ডিগ্রি। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব দি সাউথ থেকে ডক্টর অব লজ (২০১৪) এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অব লজ (২০১৪) যুক্তরাজ্যের ম্যানচেষ্টার ইউনিভার্সিটি থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি (২০১২), বাথ ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অব লজ (২০১০), যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অব লেটার্স (২০০৯), জাপানের রিক্কিও ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অব হিউমেন লেটার্স (২০০৯), যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অব লজ (২০০৮), যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টরেট অব হিউমেন লেটার্স (২০০৭), যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর ইন এডুকেশন (২০০৩), কানাডার কুইন্স ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অব লজ (১৯৯৪)।

স্যার ফজলে হাসান আবেদকে অশোকা ‘গ্লোবাল গ্রেট’ স্বীকৃতিতে ভূষিত করেছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের ‘গ্লোবাল অ্যাকাডেমি ফর স্যোশাল অন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ২০১০ সালে সম্মিলিত জাতিসংঘের মহাপরিচালক বান কি মুন ফজলে হাসান আবেদকে বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশসমূহের ‘স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গে’র একজন হিসেবে নিযুক্তি প্রদান করেন।

সহায়তা করেছেন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় : স্যার ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাকের পাশাপাশি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রভূত সহায়তা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ‘গণ স্বাক্ষরতা অভিযান’ (বর্তমানে চেয়ারপারসন পদে আসীন), ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র’ (১৯৯৩-১৯৯৪ ও ২০০৭-২০০৯ মেয়াদে চেয়ারপারসন), ‘এনজিও ফোরাম ফর ড্রিংকিং ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন’ (১৯৯০ সাল থেকে চেয়ারপারসন পদে আসীন), ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ডেভেলপমেন্ট এজন্সিজ ইন বাংলাদেশ’ (অ্যাডাব) (১৯৮২-১৯৮৬ মেয়াদে চেয়ারপারসন)

শেষ কথা : ফজলে হাসান আবেদ বিশ্বজুড়ে মানুষের আর্থসামাজিক মুক্তি, মানবাধিকার এবং দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের জন্য নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা এবং দক্ষতাকে স্যার ফজলে হাসান আবেদ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তাঁর যোগ্য নেতৃত্ব এবং দিকনির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধোত্তর সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে ‘ব্র্যাক’ নামের যে অনন্য সংগঠনটি গড়ে উঠেছিল, বহু চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে তা লক্ষ্যভিমুখে এগিয়ে চলেছে। ফজলে হাসান আবেদের প্রত্যাশা ‘ব্র্যাক’ শতাব্দির পর শতাব্দী টিকে থাকবে। সুদীর্ঘ পথ পেরিয়ে ‘ব্র্যাক’ তার আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছে। বস্তুত ‘ব্র্যাক’ ক্ষুদ্র একটি অঙ্কুর থেকে সুবিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে।

  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ