Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনের প্ৰথম উদ্যোক্তা


যে ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির মর্মান্তির হত্যাকাণ্ডের সূচনা, বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনে বুকের রক্ত ঢেলে শহিদ হয়ে যারা বাংলাভাষাকে তার মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছিলেন, সেই সালাম-বরকতের সুযোগ্য পথিকৃৎ ছিলেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি পার্লামেন্টে বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলেছিলেন। এবং তাঁর সূচিত আন্দােলনের সূত্র ধরেই এই দাবি ছড়িয়ে পড়ে পার্লামেন্টের বাইরে, দেশের সর্বত্র। শুরু হয় রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন । ধীরেন্দ্ৰনাথ দত্তই ছিলেন এই আন্দোলনের মন্ত্রগুরু ।

ভাষা আন্দোলনের এই আদি পথপ্রদর্শক, বিখ্যাত আইনজীবী ও রাজনীতিবিদের জন্ম কুমিল্লা জেলার রামরাইল গ্রামে ১৮৮৬ সালের ২ নবেম্বর।

পিতা জগদ্বন্ধু দত্ত ছিলেন কুমিল্লার কসবা আদালতের সেরেস্তাদার। কুমিল্লার নবীনগর উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় থেকে ১৯০৪ সালে তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর ভর্তি হন। কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজে। এই কলেজ থেকে তিনি ১৯০৬ সালে এফ এ পাশ করেন। পরে উচ্চশিক্ষার জন্য কোলকাতায় এসে ভর্তি হন রিপন কলেজে। এই কলেজ থেকেই ১৯০৮ সালে তিনি বি. এ. পাশ করেন।

কোলকাতার রিপন কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় আইনজীবী কৃষ্ণবর্মণ দাসের কন্যা সুরবালার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয় ১৯০৬ সালে।

বি. এ. পাশ করার পর তিনি আইন পড়তে শুরু করেন। ১৯১০ সালে আইন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। কিন্তু আইন পাশ করলেও জীবনের শুরুতেই আদালতে যেতে পারেননি। তার কর্মজীবন শুরু হয় শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে।

আইন পাশ করার পর পরই ১৯১০ সালের ১লা মার্চ তিনি স্থানীয় কুমিল্লা বান্দরা উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে সহকারী প্ৰধানশিক্ষকের পদে চাকরি নেন । তিনি শিক্ষকতার এই চাকরি করেছিলেন ১৯১১ সালের ২ জানুয়ারি পর্যন্ত। তার পরেই শুরু করেন আইনব্যবসা |

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনের শুরু হলে তিনিও এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেন। আসলে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে অংশ গ্রহণের মধ্য দিয়েই তারও রাজনৈতিক জীবনের সূচনা।

১৯১৯ সালে ময়মনসিংহে কংগ্রেসের প্রদেশিক সম্মেলন শুরু হলে তিনি তাতে অংশগ্রহণ করেন।

১৯২১ সালে তিনি কুমিল্লায় ‘মুক্তি সঙ্ঘ” নামে একটি সংস্থা গঠন করেন। এরপর মহাত্মা গান্ধির আহবানে সাড়া দিয়ে ১৯২০ থেকে ১৯২২ সাল পর্যন্ত অসহযোগ আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেন। এই আন্দোলনে নিজেকে এতোখানিই জড়িয়ে ফেলেছিলেন যে আইনব্যবসা পর্যন্ত ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। এই আন্দোলন আরও জোরদারভাবে পরিচালনা করার জন্য ব্ৰাহ্মণবাড়িয়ায় একটি স্বেচ্ছাসেবক দল পর্যন্ত গঠন করেছিলেন । তিনি ছিলেন এই দলের প্রধান কর্মাধ্যক্ষ ।

১৯২৩ সালে কুমিল্লায় ‘অভয় আশ্রম’ প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।

১৯২৯ সালে কংগ্রসের লাহোর অধিবেশনে অসহযোগ আন্দোলনকে আরও জোরদারভাবে পরিচালনা করার আহবান জানানো হয়। এই সময় কুমিল্লায় ফিরে এসে ধীরেন্দ্রনাথ আবার তার আইনব্যবসা ছেড়ে দিয়ে রাজনৈতিক আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েন।

এই আন্দোলন সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করতে গিয়েই তিনি ১৯৩০ সালের ২ জুলাই গ্রেফতার হন। তার কয়েক মাসের কারাদণ্ড হয় । ১৯৩১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি শর্ত সাপেক্ষ তিনি মুক্তি লাভ করেন।

১৯৩৭ সালে তিনি কংগ্রেসের মনোনয়ন লাভ করে কেন্দ্রীয় আইন সভার সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৪০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ব্ৰাহ্মণবাড়িয়া ডাকঘরের সামনে প্রকাশ্যে যুদ্ধ-বিরোধী স্লোগান দেয়ায় এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করার অপরাধে গ্রেফতার হন । এই সময় তাকে রাখা হয়েছিল ব্ৰাহ্মণবাড়িয়া সাবজেলে। এই জেলে থাকা অবস্থাতেই একতরফাভাবে তাঁর বিচার হয়। তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনেরও কোনো সুযোগ পাননি। কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার পর তাকে পর্যায়ক্রমে কুমিল্লা, দমদম এবং আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে রাখা হয়। তারপর নয় মাস পর তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

এর কিছুকাল পরে ১৯৪২ সালে ‘ভারত ছাড়’ আন্দোলনে অংশ নেয়ার অপরাধে তিনি আবার গ্রেফতার হন। একবছর পর ১৯৪৩ সালে মুক্তি লাভ করেন।

১৯৪৫ সালের জুনে কেন্দ্রীয় বিধান সভার অধিবেশনে বাজেট আলোচনাকালে তিনি একটি ছাটাই প্রস্তাব আনেন। আলোচনার পর এই প্রস্তাব বিপুলভাবে গৃহীত হয়। এর ফলেই খাজা নাজিমুদ্দিন মন্ত্রিসভার পতন ঘটে। বাংলার ইতিহাসে এটি ছিল একটি স্মরণীয় ঘটনা ।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর তিনি পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গণপরিষদের অধিবেশনে পরিষদের ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দু ভাষা গৃহীত হয়। পরিষদ পরিচালনার নিয়মকানুনে আরও বলা হয়েছিল যে, উল্লিখিত দুটি ভাষা (ইংরেজি ও উর্দু) ছাড়া অন্য কোনও ভাষা গণপরিষদে ব্যবহার করা যাবে না ।

কিন্তু এই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ করেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যিনি ভাষার প্রশ্নে গণ-পরিষদের ওই অধিবেশনে সংশোধনী প্রস্তাব পেশ করেন এবং গণপরিষদের ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষাকেও সমান মর্যাদা দানের দাবি পেশ করেন ।

কিন্তু বিপুল সংখ্যক সাম্প্রদায়িক ও পাকিস্তানের পদলেহী গণ-পরিষদ সদস্যের বিরোধিতার মুখে তাঁর প্রস্তাব সেদিন গৃহীত হয়নি। তবে সেদিন ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাব গৃহীত না হলেও বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশ জুড়ে। আজও তাই ভাষা আন্দোলনের একজন পথ-প্রদর্শক হিসেবে ধীরেন্দ্ৰনাথ দত্ত বাঙালির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন ।

১৯৫৪ সালে তিনি পূর্ববঙ্গ আইন সভার সদস্য নির্বাচিত হন। এরপরই তিনি ‘গণসমিতি” নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।

১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে পূর্ববঙ্গে প্রাদেশিক মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হলে তিনি তাতে মেডিক্যাল, পাবলিক হেলথ ও সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার মন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। এই দায়িত্বে তিনি ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৫৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বহাল ছিলেন ।

১৯৫৮ সালে সামরিক শাসক আইউব খান ক্ষমতা দখলের পর রাজনৈতিক তৎপরতার ওপর নানা রকম বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। রাজনৈতিক নেতাদের কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য পাশ করা হয় ‘এবডো’ আইন। এই ‘এবডো’ আইনে ধীরেন্দ্ৰনাথ দত্ত নির্যাতনের শিকার হন।

১৯৬৪ সালে তিনি আইনজীবী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।

একই বছরের ডিসেম্বর মাসে তিনি ইস্ট পাকিস্তান পাবলিক সেফটি অর্ডিন্যান্সের (East Pakistan Public Safty Ordinance) আওতায় গ্রেফতার হন। ফলে তিনি ১৯৬৫ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত বিনা বিচারে জেলে আটক থাকেন।

এর পরপরই তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। তবে রাজনীতিতে পুরোমাত্রায় অংশগ্রহণ না করলেও রাজনৈতিক পরিমণ্ডল থেকে সরে যাননি। তিনি শেষ জীবনে এসেও প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক শক্তির অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করে গেছেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাঁর বাসভবন থেকে তাকে ধরে নিয়ে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টে রাখে। এরপর থেকে তার আর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ