Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি

গণতন্ত্রের মানসপুত্ৰ


যাঁর খ্যাতি গণতন্ত্রের মানসপুত্ৰ বলে, দেশের গণতান্ত্রিক আদর্শের কথা বলতে গেলে যাঁর কথা মুখে আনতে হয় সকলের আগে, যাঁর জীবন ছিল জনগণের জীবনের সঙ্গে একত্রে গ্রথিত, সেই কিংবদন্তিতুল্য সংগ্রামী মানুষটির নাম হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি । রুপোর চামচ মুখে নিয়ে জন্মগ্রহণ করলেও সাধারণ মানুষের দুঃখ-দৈন্যের সঙ্গে নিজের জীবনকে তিনি নিঃশেষে জড়িত করেছিলেন। জনসাধারণের আশা-আকাঙ্ক্ষার রূপায়ণ, তাদের অধিকার এবং দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি নিরলস সংগ্রামে ব্ৰতী থেকেছেন এবং ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ অভিধায় অভিহিত হয়ে ইতিহাসে ঠাঁই করে নিয়েছেন।

তাঁর জন্ম মেদিনীপুরের বিখ্যাত সোহরাওয়ার্দি পরিবারে। আধুনিক যুগে ইসলামি সংস্কৃতির পুনরুজ্জীবনের অগ্রনায়ক ছিল মেদিনীপুরের এই পরিবার।

সেখানেই ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ছিলেন বিখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার স্যার জাহেদ সোহরাওয়ার্দি। মার নাম বেগম খুজেস্তা আখতার বানু ওরফে সোহরাওয়ার্দিয়া বেগম।

খুজেস্তা বেগম ছিলেন অতান্ত বিদুষী মহিলা। তিনিই প্রথম মুসলিম মহিলা যিনি সিনিয়র কেমব্রিজ পাস করেছিলেন এবং তিনিই ভারতের প্রথম মহিলা, যিনি কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু সাহিত্যের পরীক্ষক মনোনীত হয়েছিলেন।

এরকম একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারেই তাঁর জন্ম। শৈশবে এই বিদুষী মায়ের কাছেই প্রথম হাতেখড়ি হয় সাসোহরাওয়ার্দির। মায়ের সঙ্গে ছিলেন নিঃসন্তান মামা স্যার আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দি। দু ভাই-বোন মিলেই মনের মতো করে গড়ে তুলতে লাগলেন ভাবীকালের এই মহান পুরুষকে ।

হাতেখড়ির পালা শেষ হবার পর তাঁকে ভর্তি করা হয় কোলকাতার বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসায়ে আলিয়াতে। সেখানে তিনি পড়েন উর্দু ও ফারসি। বাড়িতে মায়ের কাছে পড়তে থাকেন ইংরেজি ও বাংলা।

মাদ্রাসার পড়া শেষ হলে তাঁকে ভর্তি করা হয় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। এখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে অনার্সসহ বিএসসি পাস করে ভর্তি হন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখান থেকে তিনি আরবি ভাষা ও সাহিত্যে এম. এ. পাস করেন।

দেশের শিক্ষাজীবন শেষ হলে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য বিলেত গমন করেন। ১৯১৩ সালে লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এখান থেকে তিনি জুরিসডেন্সে অনার্স নিয়ে আইনের সর্বোচ্চ ডিগ্রি বি. সি. এল. পাস করেন।

পাশাপাশি এম. এ.-তে ভর্তি হয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি এবং ইংরেজি ভাষায় পর্যায়ক্রমে এম. এ. পাস করেন।

পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরে আসেন ১৯২০ সালে। শুরু করেন কোলকাতা হাইকোর্টে আইন-ব্যবসা। কিন্তু এই পেশা বেছে নিলেও তাঁর মন পড়ে ছিল রাজনীতি আর সমাজসেবার দিকে ।

রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশের জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা এবং উৎসাহ লাভ করেছিলেন তাঁর মামা স্যার আবদুল্লাহ আল-মামুন সোহরাওয়ার্দির কাছ থেকে। মামাই ছিলেন সোহরাওয়ার্দির রাজনৈতিক জীবনের দীক্ষাগুরু।

মামার উৎসাহে তিনি ১৯২১ সালে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের নির্বাচনে দাঁড়ান এবং জয়লাভও করেন। এইভাবে শুরু হয় তার রাজনৈতিক জীবন।

এই সময় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ঢেউও ছড়িয়ে পড়েছিল চারদিকে। এদেশের মুসলমান সম্প্রদায় বুঝতে পারছিল ভারত স্বাধীন হতে যাচ্ছে। কিন্তু ভারত স্বাধীন হলে মুসলমানদের জন্য যাতে পৃথক একটি বাসভূমির ব্যবস্থা করা হয়, পাশাপাশি তার জন্য চলছিল মুসলিম লিগের নেতৃত্বে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।

তখন মুসলিম লিগের হাইকম্যান্ড বলতে ছিল কেন্দ্রীয় পরিষদ তথা মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ-কেন্দ্ৰিক পরিষদ। কিন্তু ভারতের অন্যতম প্রধান মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল তৎকালীন বাংলাদেশের নেতা বলতে বোঝানো হতো হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দিকেই। বাংলাদেশের মুসলমানদের মধ্যে সৃষ্ট পাকিস্তান আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি।

১৯২৩ সালে ঘটনাক্রমে বাংলায় হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়ে যায়। এই দাঙ্গায় উভয় পক্ষের প্রচুর লোকজন হতাহত হয় এবং সহায়সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। দাঙ্গার কারণে ৫০ জন মুসলমান এবং একজন হিন্দুকে গ্রেফতার করা হয়। সোহারাওয়ার্দি মুসলমান আসামিদের ছাড়িয়ে আনার ব্যবস্থা করেন। এরপর ভবিষ্যতে আর যাতে বাংলায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা না হয়, তার জন্য তিনি এবং দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটাই ঐতিহাসিক বঙ্গীয় জাতীয় চুক্তি, ইংরেজিতে (Bengal National Pact) নামে পরিচিত।

চুক্তির শর্তগুলোর মধ্যে ছিল বাংলায় হিন্দু ও মুসলমানের জন্য পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্থা এবং সরকারি চাকরিতে শতকরা ৫৬ জন মুসলমান নিয়োগ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, এই সময় চিত্তরঞ্জন দাশ ছিলেন কোলকাতা করপোরেশনের মেয়র এবং স্বরাজ পার্টির প্রধান। সোহরাওয়ার্দি ছিলেন করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র এবং স্বরাজ পার্টির ডেপুটি লিডার। তবে ১৯২৫ সালে চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যুর পর এই “ন্যাশনাল প্যাক্ট’ বাতিল হয়ে যায়।

ভারতের বুক থেকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা চিরতরে দূর করার জন্য প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সিমলায় ১৯২৭ সালে। এই সম্মেলনে সোহরাওয়ার্দি ভারতের মুসলিম স্বার্থের পক্ষে তাঁর জোরালো বক্তব্য পেশ করেন। কিন্তু সম্মেলনে স্বয়ং জিন্নাহ আপসকামী ভূমিকা পালন করার কারণে সোহরাওয়ার্দির সর্বাত্মক চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ফলে জিন্নাহর সাথে সোহরাওয়ার্দির মতপার্থক্য শুরু হয়।

এরপর তিনি নিজের উদ্যোগেই ১৯২৮ সালে কোলকাতায় প্রথম নিখিল বঙ্গ মুসলিম কনফারেন্সের আয়োজন করেন। এই সম্মেলনে এক লিখিত বক্তব্যে বাংলার মুসলমানদের অধিকারের কথা তুলে ধরেন তিনি।

এই সময় নিখিল ভারত মুসলিম লিগ জিন্নাহ লিগ” ও “শফি লিগা’ নামে দুভাগে বিভক্ত ছিল। ১৯২৮ সালের শেষ সপ্তাহে ও ১৯২৯ সালের প্রথম সপ্তাহে দিল্লিতে সর্বদলীয় মুসলিম নেতাদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই জিন্নাহ তার ঐতিহাসিক ‘চৌদ্দ দফা দাবি পেশ করেন। এই সম্মেলনে সোহরাওয়ার্দিও যোগদান করেছিলেন।

১৯৩৫ সালে তিনি খিলাফত সম্মেলন, তবলিগ ও সিরাত সম্মেলন, স্বেচ্ছাসেবক সম্মেলন, আখ্যারা ফিজিক্যাল কনফারেন্সসহ বেশ কয়েকটি সম্মেলনের আয়োজন করেন। ১৯৩৬ সালে তিনি গঠন করেন বেঙ্গল মুসলিম ইউনাইটেড পার্টি। পাশাপাশি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতিও চালাতে থাকেন তিনি।

এই বছরই মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ বাংলাদেশে আসনে এবং আগেকার মতপার্থক্য ভুলে গিয়ে সোহরাওয়ার্দিকে মুসলিম লিগে যোগদানের এবং একসঙ্গে কাজ করার অনুরোধ জানান। তখন শর্তসাপেক্ষ সোহরাওয়ার্দি মুসলিম লিগে যোগদান করেন।

১৯৩৬ সালে ভারত শাসন আইন প্রবর্তিত হওয়ার পর ভারতের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে তাঁর তৎপরতায় বাংলাদেশে মুসলিম আসনসমূহের অধিকাংশই মুসলিম লিগ দখল করে। এরপর ১৯৩৭ সালে মুসলিম লিগ এবং শেরে বাংলার কৃষক প্রজা পার্টির মধ্যে কোয়ালিশনে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রীর পদ লাভ করেন।

১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লিগের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই শেরে বাংলা তার পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।

১৯৪৫ ও ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান ইসুর ওপর কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দির সাংগঠনিক তৎপরতায় এই নির্বাচনেও মুসলিম লিগ ঐতিহাসিক বিজয় লাভ করে। মুসলিম লিগ সোহরাওয়ার্দির নেতৃত্বে গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ।

ব্রিটিশ সরকার ১৯৪৬ সালে ভারত শাসনের ক্ষমতা কংগ্রেস দলের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে। ভারতের মুসলমানরা এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এরই প্রতিবাদে ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট মুসলিম লিগ সারা ভারতে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসের ডাক দেয়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সোহরাওয়র্দিও এই দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করে সংগ্রামের ডাক দেন। সংঘটিত হয়। স্মরণকালের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা।

দাঙ্গাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করার জন্য কোলকাতায় আসেন। লর্ড ওয়াভেল । সোহরাওয়ার্দি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দিলেন যে, এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে ব্রিটিশ সরকারের অনুসৃত নীতির ফলে। এই নীতির পরিবর্তন না হলে তাঁর নেতৃত্বে কোলকাতার গড়ের মাঠে অনুষ্ঠিত মুসলমানদের জঙ্গি সভাসমাবেশ ও মিছিলকে কেন্দ্র করে সারা ভারতেও একই অবস্থার সৃষ্টি হবে।

মুসলিম লিগের এই কুঁশিয়ারির মুখে লর্ড ওয়াভেল কিছুটা নমনীয় হলেন এবং দাবি মেনে নিয়ে অন্তর্বতীকালীন সরকারে মুসলিম লিগেরও যোগদানের অনুমতি দিলেন।

১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারত বিভাগের সিদ্ধান্ত ঘোষিত হয় এবং এর দু’মাস পর ১৪ আগষ্টে জন্ম হয় পাকিস্তান রাষ্ট্রের।

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরও তিনি অন্যান্য মুসলিম নেতাদের মতো সব ছেড়ে এপারে ছুটে এলেন না। তখনো কোলকাতায় চলছিল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা।

বাংলাদেশের এই দাঙ্গা পরিস্থিতি স্বচক্ষে দেখার জন্য মহাত্মা গান্ধি এলেন কোলকাতায় ।

এখানে হিন্দু-মুসলমানের দাঙ্গা বন্ধ করার জন্য মহাত্মা গান্ধি সোহরাওয়ার্দিকে সঙ্গে নিয়ে শান্তি স্থাপনের জন্য প্রচার চালাতে লাগলেন।

শুধু বাংলাদেশে নয়, মহাত্মা গান্ধি তাঁর প্রিয় শিষ্য সোহরাওয়ার্দিকে সঙ্গে নিয়ে সারা ভারতেই শান্তি স্থাপনের অভিযান শুরু করেন। গান্ধির সঙ্গে শান্তি-মিশনে বের হয়ে তিনি বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত সভায় হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের পক্ষে বক্তৃতা দিতে লাগলেন।

১৯৪৭ সালে করাচিতে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর সভাপতিত্বে নিখিল ভারত মুসলিম লিগের কাউন্সিল অধিবেশন হয়। এই অধিবেশনে সোহরাওয়ার্দিও যোগদান করেন এবং ব্যাপারে কেউ সেদিন গুরুত্ব দেননি। এমনকি এই নিয়ে অনেক মুসলিম লিগ নেতাও তাকে ভুল বুঝতে শুরু করেন।

১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি মহাত্মা গান্ধি আততায়ীর হাতে নিহত হলে সোহরাওয়ার্দির শান্তি-মিশনের কাজও স্থগিত হয়ে যায়। এরপর ভারতে থাকা তার জন্য নিরাপদ ছিল না। তিনি পাকিস্তানে চলে আসার সিদ্ধান্ত গ্ৰহণ করেন। কিন্তু ১৯৪৮ সালের ৩ জুন পূর্ববঙ্গের নাজিমউদ্দিন সরকার তাঁর পূর্ববঙ্গে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এই অবস্থায় তিনি কিছুটা সংকটে পড়ে যান। পরে কয়েকজন বন্ধুর সহায়তায় তিনি ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে করাচি চলে যান ।

পাকিস্তান সৃষ্টির পর তিনি যখন পাকিস্তানে ফিরে আসেন, তখন রাষ্ট্ৰীয় ক্ষমতা চলে গেছে। কায়েমি স্বাৰ্থবাদীদের হাতে। এই পরিবেশে সোহরাওয়ার্দি নতুন করে আবার নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলার কাজে মনোনিবেশ করেন। তিনি তাঁর এই অভিযান জোরদার করতে করাচি, পাঞ্জাব, সিন্ধু ও সীমান্ত প্রদেশ সফর করেন এবং সেখানকার জনসাধারণকে গণতান্ত্রিক সংগ্রামে উদ্ধৃদ্ধ করতে থাকেন।

শুধু পশ্চিম পাকিস্তান নয়, সারা দেশেই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গড়ে তোলার জন্য তিনি মওলানা ভাসানী এবং শেখ মুজিবুর রহমানের সহযোগিতায় পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করেন।

১৯৫৪ সালে পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ঘোষণা করা হলে সোহরাওয়ার্দি, শেরে বাংলা এবং ভাসানীর নেতৃত্বে কয়েকটি রাজনৈতিক দল নিয়ে গঠিত হয় নির্বাচনী মোর্চ-যুক্তফ্রন্ট।

নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করে এবং শেরে বাংলার নেতৃত্বে গঠিত হয় মন্ত্রিসভা।

নির্বাচনী প্রচার অভিযানে প্রচণ্ড খাটাখাটুনিতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসার জন্য তাকে পাঠানো হয়। জুরিখে। চিকিৎসার পর তিনি দেশে ফিরে আসেন ১৯৫৪ সালের ১২ ডিসেম্বর। কিন্তু ততদিনে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার পতন ঘটেছে।

১৯৫৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর চৌধুরী মোহাম্মদ আলির মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করে। এই অবস্থায় তদানীন্তন রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্টের সমর্থনে সোহরাওয়ার্দি ১২ সেপ্টেম্বর (১৯৫৬) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্ৰহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার হাতে নিয়েই তিনি দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিতে লাগলেন। নির্বাচনী প্রস্তুতি চলা অবস্থায় অর্থাৎ তার প্রধানমন্ত্রীত্বের মাত্র এক বছরের মাথায় কায়েমি স্বার্থবাদীদের চক্রান্তে ১৯৫৭ সালের ১১ অক্টোবর তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর প্রেসিডেন্ট হন ইস্কান্দার মির্জা ।

অগণতান্ত্রিকভাবে এই ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে তিনিও রুখে দাঁড়ালেন। সারা দেশে উঠল প্রতিবাদের ঝড়। বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ফেটে পড়ল বিক্ষোভে ।

কিন্তু ইস্কান্দার মির্জও বেশিদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেননি। যার শক্তির থেকে সরিয়ে দিয়ে নিজেই দখল করে বসেন। সেই গাদি । ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর দেশব্যাপী জারি করা হলো সামরিক শাসন ।

আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করেই দেশে রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ করে দিলেন এবং শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদদের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার কৌশল হিসেবে তাদের কর্মতৎপরতা বন্ধ করে দিলেন । এই আইনের নাম ছিল ‘এবডো’ । এই এবডোর হাত থেকে হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দিও রেহাই পাননি ।

বলতে গেলে তখন থেকেই সোহরাওয়ার্দিরও রাজনৈতিক জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। ১৯৬২ সালের ৩০ জানুয়ারি আইউব খান তাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেফতার করেন। সাত মাস জেলে থাকার পর ১৯ আগস্ট (১৯৬২) মুক্তিলাভ করেন। জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর ১৯৬২ সালের ৫ অক্টোবর তিনি সর্বদলীয় নেতৃবৃন্দের সমর্থনে একটি জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট গঠন করেন। এই ফ্রন্ট নিয়ে তিনি আবার দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করতে থাকেন। কিন্তু ততোদিন তাঁর শরীর ভেঙে পড়তে শুরু করেছিল।

১৯৬৩ সালের জানুয়ারি মাসে চিকিৎসার জন্য তাঁকে ভর্তি করা হয় করাচির জিন্নাহ হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে তাঁর স্বাস্থ্যের উন্নতি না। হওয়ায় আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৯৬৩ সালের ১৯ মার্চ তাকে পাঠানো হয় বৈরুতে ।

বৈরুতের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ওই বছরেরই ৫ ডিসেম্বর তিনি পরলোকগমন করেন। এ-ভাবে সমাপ্তি ঘটে একটি সংগ্ৰামী জীবনের।

এদেশে অসাম্প্রদায়িক তথা ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতি চালু করার ক্ষেত্রে হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দির ভূমিকা স্মরণীয়। গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন বলে দেশের সুধীসমাজ তাঁকে এখনও 'গণতন্ত্রের মানসপুত্ৰ’ বলে আখ্যায়িত করে থাকেন ।

  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ