Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

মোঃ সবুর খান

চেয়ারম্যান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ড্যাফোডিল গ্রুপ


বাংলাদেশের নব্য-উদ্যোক্তাদের অনেকের কাছেই তিনি আদর্শ-অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। আদর্শ মেনেই পাড়ি দিয়েছেন দীর্ঘ পথ । ১৯৯০ সালে মাত্র দুইটি কম্পিউটার ছিল যার ব্যবসায়ের একমাত্র মূলধন, আজ তার ব্যবসায় হয়েছে বহুমাত্রিক। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ী মো. সবুর খান।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়। নিজের মেধা, প্রজ্ঞা, বিচক্ষতা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানকে দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার পেছনের কারিগর জনাব সবুর খান। তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা; একই সাথে ড্যাফোডিল পরিবারেরও চেয়ারম্যান।

জনাব সবুর খান চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন মো.। সাত ভাই-বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। এত মানুষের সংসারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি একজনই ছিলেন। তিনি সবুর খানের পিতা মো. ইউনুস খান। মা রওশন আরা ছিলেন গৃহিণী। পরিবারে পড়ালেখার গুরুত্ব ছিল সর্বাধিক। পড়ালেখার যেন কোনো ক্ষতি না হয় সেটিই নিশ্চিত করতেন সবুর খানের বাবা-মা। উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত চাঁদপুরেই পড়ালেখা করেছেন। ইচ্ছে ছিল পাইলট হবেন । আকাশে উড়বেন। সে ইচ্ছে তখন অবশ্য পূরণ হয়নি। তিনি হয়েছেন বড় বড় প্রতিষ্ঠানের পাইলট। যার আকাশে শুধু সাফল্যের ওড়াউড়ি! ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পান সবুর খান। স্কলারশিপের ব্যবস্থা হয়ে যাওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগেই ভর্তি হন। ১৯৮৮ সালে স্নাতকোত্তর পাস করেন এখান থেকেই।

সরকারি চাকরি মানে নিশ্চিন্ত থাকার জীবন। একজন গ্র্যাজুয়েটের কাছে এটাই জীবনের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। তবে কেউ কেউ নিজের গন্তব্য নিজেই ঠিক করেন। হোক সেটা অনিশ্চয়তার, হোক সেটা কুঁকির। তবে কাজের জায়গায় ভালোবাসা থাকলে দুৰ্গম পথ পাড়ি দেওয়ার সাহস করাই যায়। সাহসটা অবশ্য সবুর খানের স্বভাবজাত! এই কারণেই হয়েছেন উদ্যোক্তা ।

১৯৯০ সালের কথা। রাজধানীর গ্রীন রোডের ১০১/এ ঠিকানায় ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স নাম দিয়ে ব্যবসা শুরু করলেন। প্রথম পণ্য ছিল ৮০৮৮ মডেলের দুইটি পিসি। তখন কী কেউ ভেবেছিল, গলির মোড় পেরিয়ে সবুর খান একদিন হয়ে উঠবেন শহরের অসংখ্য গলিতে বেড়ে ওঠা স্বপ্নবাজ তরুণদের আইকন! দেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হয়ে ওঠার গল্প একদিনে তৈরি হয় না। গল্পের পেছনেও গল্প থাকে। সবুর খানও শুরুতে অসংখ্য সমস্যার কবলে পড়েছেন। আর এটাকেই তিনি মুনে করেন আজকের পর্যায়ে আসার একমাত্র রহস্য। তাঁর মতে, বাধাগুলোই তাকে নতুন করে ভাবতে শিখাতো। প্রতিবন্ধকতাকে ভয় পেলে সেটা বাড়ে। তাই তিনি বাধার মুখোমুখি হতেন তা সে যত বড়ই হোক। সবসময়ই ভিন্ন রাস্তা থাকে সমস্যা মোকাবেলার চেষ্টা করেন। সবুর খানের চিন্তাশীল মনন ও মেধা খুঁজে বের করতো সেই অল্টারনেটিভ অপরচুনিটিজ’ ৷ তাতে হয়তো সবসময় শত ভাগ সফল হতেন না, তবে শিখতে পারতেন নতুন কিছু।

ব্যবসা বড় করার অংশ হিসেবে ১৯৯৩ সালে শুরু করেন আমদানি। সিঙ্গাপুর, চায়না এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে কম্পিউটার যন্ত্রাংশ আমদানি করতেন। সেসব দিয়েই সিডিকম ক্লোন পিসি বাজারজাত শুরু করেন দেশের বাজারে। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেছিলেন ব্যবসায়ের মূলধনের জন্যে। তবে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে খোয়াতে হয় অর্থগুলো। বিপদে পড়ে যান। অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্ৰস্ত হয়েও মনোবল হারাননি। পরিচিতজনদের কাছ থেকে ধারে টাকা নেন এবং বাকিতে যন্ত্রাংশ আমদানি করেন। এটা ছিল খুবই কুঁকিপূর্ণ কারণ এবারও তিনি ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে টিকে থাকা খুব মুশকিল হয়ে যেত। সৎ ও কর্মঠ সবুর খান শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হন। এই ঘটনা তাকে নতুনভাবে ভাবিয়েছে। তিনি এটিকে দেখেন তার দীর্ঘ-পথচলার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে। তাঁর মতে, কেউ সত্যিকারের বিপদে না পড়লে আসল মানুষ চিনতে পারবে না, সবচেয়ে বড় কথা নিজেকেও চিনতে পারবে না। তাঁকে যে মানুষ বিশ্বাস করে অর্থ-ঋণ দিয়ে সাহায্য করবে এটিও কখনো জানতেই পারতেন না। যদি না দুর্ঘটনা ঘটত।

১৯৯৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে "ড্যাফোডিল কম্পিউটারস লিমিটেড' কমটেক ফেয়ারে অংশগ্রহণ করে যেটি তৎকালীন সময়ে খুবই সাড়া ফেলে। এতে করে মানুষ সবুর খানকে একজন নিষ্ঠাবান ব্যবসায়ী হিসেবে চিনতে শুরু করে। তথ্য-প্ৰযুক্তি শিল্পের বিস্তৃতির লক্ষ্যে ১৯৯৫ সালে ধানমন্ডির রাসেল স্কয়ারে দেশের সর্বপ্রথম কম্পিউটার সুপার-স্টোর এর যাত্রা শুরু করেন। একচেটিয়া ব্যবসা করতে থাকে। এটি। তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের বাংলাদেশি প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৯৬ সালে এই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট চালু করেন তিনি। তাঁর সুপার-স্টোর ১৯৯৮ সালের আগ পর্যন্ত খুবই জনপ্রিয় ছিল সাধারণের মাঝে। তবে এর মধ্যে আগারগাঁও বিসিএস কম্পিউটার মার্কেট হওয়ার পর তার ব্যবসায়ে ধীর গতি নেমে আসে। তিনি বুঝলেন পরিবর্তনের সময় এসেছে। যদি তিনি সুপারস্টোর আঁকড়ে ধরে পড়ে থাকতেন তাহলে এই পর্যায়ে আসতে পারতেন না। ব্যবসা কখনো আবেগ দিয়ে হয় না। তাই সময়ের পরিবর্তনের সাথে যা নতুন এসেছে সেটাই তিনি গ্রহণ করেছেন।

নতুনত্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারা ব্যবসায়ের অন্যতম সাফল্যের রহস্য বলে মনে করেন তিনি। কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের ব্যবসায় থেকে তিনি চলে আসেন সফটওয়্যারে। সফটওয়্যার থেকে শিক্ষায় বিনিয়োগ। তাঁর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এখন প্রতিষ্ঠিত। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোর্সিং নিয়েও কাজ চলছে। ১৯৯৮ সালে ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি'র যাত্রা শুরু হয় তার হাত ধরে। ড্যাফোডিল পিসি’ নামে তার নিজস্ব ব্র্যান্ড আত্মপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। নিজের ব্র্যান্ড নিয়ে হাজির হন বিভিন্ন আইসিটি মেলায় যা ব্যাপক সাড়া ফেলে।

বাংলাদেশের প্রথম আইসিটি কোম্পানি হিসেবে তাঁর প্রতিষ্ঠান আইএসও সনদ লাভ করে। ধীরে ধীরে বড় হয় সবুর খানের রাজ্য! তৈরি করেন ড্যাফোডিল গ্রুপ। যার অধীনে রয়েছে ড্যাফোডিল কম্পিউটারস, ড্যাফোডিল পিসি, ড্যাফোডিল অনলাইন, ড্যাফোডিল মাল্টিমিডিয়া, ড্যাফোডিল সফটওয়্যার, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ড্যাফোডিল ইনস্টিটিউট অব আইটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল একাডেমী, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, মাই কিডস, জবসবিডি ডট কম, কম্পিউটার ক্লিনিক, ডলফিন কম্পিউটার্স লিমিটেড, ড্যাফোডিল ওয়েব অ্যান্ড ই-কমার্স প্রভৃতি। বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে তাঁর ড্যাফোডিল গ্রুপের মাধ্যমে। কাজ করেছেন একজন আদর্শ সংগঠক হিসেবেও। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর জোট ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সার্ভিসেস এলায়েন্স’ (WITSA)-এর পরিচালক হয়েছেন। গ্লোবাল টেড কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেছেন ২০১৩ সালে।

২০০২ সালে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি’র সাধারণ নির্বাচনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন। একই বছর প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি টাস্কফোর্স-এর সদস্য হিসেবেও কাজ করেন। তিনি। গুণী এই উদ্যোক্তা তাঁর কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন অসংখ্য। এখনো পাচ্ছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উইট মেরিট এওয়ার্ড, ওয়ার্ল্ড কোয়ালিটি কংগ্রেস এওয়ার্ড ২০১৪, ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস্ পদক (২০০৫), ওয়ার্ল্ড কোয়ালিটি কমিটমেন্ট স্বর্ণ পদক (২০১০), লিডারশীপ পুরস্কার (২০১৩), ওয়ার্ল্ড এডুকেশন কংগ্রেস গ্লোবাল পুরস্কার (২০১৩), এশিয়ান মােস্ট ইন্সপাইরিং নেশন বিল্ডার অ্যাওয়ার্ড (২০১৩) অমর একুশে স্বর্ণ পদক (২০০০), সাউথইস্ট ব্যাংক- দ্যা ইন্ডাস্ট্রি পুরস্কার (২০০১), বেস্ট আইটি পুরস্কার (২০০২), স্বাধীনতা ফোরাম পুরস্কার (২০০২), ফাইন্যান্সিয়াল মিরর বিজনেস পুরস্কার (২০০২)ও বেস্ট পাসনালিটি পুরস্কার (২০০৪)।

সম্প্রতি ফিলিপাইনের প্যানপ্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে বক্তব্য দিয়েছেন সফল ব্যক্তিত্ব মোঃ সবুর খান। ২০১৬ সালের ১৬ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়টির ২৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে প্রায় ৩ হাজার স্নাতক শিক্ষার্থীর সামনে অনুপ্রেরণাদায়ী বক্তব্য প্রদান করেন এই গুণী ব্যবসায়ী । স্বপ্নের মতোই এক যাত্রা বলতে হয়। এত অর্জনের পরও থেমে নেই পথচলা। বর্তমানে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির প্রজেক্টসহ সামাজিক বিভিন্ন কাজে অংশ নিচ্ছেন। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি থাকাকালীন গৃহীত ২০০০ উদ্যোক্তা সৃষ্টির প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় এখনও নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তাদের জন্য অতি সম্প্রতি “এ জার্নি টুয়ার্ডস্ এন্ট্রাপ্রেনিয়রশীপ বই ও লিখেছেন সবুর খানের মতো কেউ হতে চাইলে কী করতে হবে?

জনাব সবুর খান যুব উন্নয়নে এবং যুবসমাজকে নিয়ে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন । তাঁর মতে, কিছু অর্জন করতে চাইলে প্রথমে কষ্ট স্বীকার করার মানসিকতা থাকতে হবে। বড় হতে চাইলে প্রথমেই মেনে নিতে হবে জীবনে সফলতার সংক্ষিপ্ত কোনো রাস্তা নেই। পরিশ্রম, একাগ্রতা, সততা দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করলে সাফল্য আসবেই।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ