Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

হাফিজুর রহমান খান

চেয়ারম্যান, রানার গ্রুপ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ড


সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে সময়ের সাহসী সৈনিক, বিশিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তা এবং শিক্ষানুরাগী জনাব হাফিজুর রহমান খান ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দ্বার উদঘাটনের একজন শক্তিমান পুরুষ। জনাব হাফিজুর রহমান খান ১৯৫৫ সালে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নওগাঁয় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম কোরেশ আলী খান, মাতা মরহুমা পরিজন নেসা। হাফিজুর রহমান খান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মের অভিজ্ঞতার জন্য পাট (সোনালি আঁশ) রপ্তানিকারক একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগ দেন। পরবর্তীতে পাম্প ও শ্যালো ইঞ্জিন আমদানিকারক একটি প্রতিষ্ঠানে কাজে যোগদান করেন।

স্বাধীনতার ঊষালগ্নে বাংলাদেশ ছিল কৃষিনির্ভর অর্থনীতির দেশ, তখন অর্থনীতির অবস্থা ছিল খুবই নাজুক, তেল ও খাদ্য থেকে শুরু করে বেশির ভাগ পণ্য আমদানি করে অত্যন্ত অপ্রতুলতার মাঝে পথ চলতে হতো। অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য প্রত্যেকে তাদের স্ব-স্ব অবস্থান থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। জনাব হাফিজুর রহমানের ভাবনাও উন্নয়নের স্রোতধারায় মিশে গেল। তিনি ১৯৮৩ সালে পার্টনারশিপে ব্যবসা শুরু করেন। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ২০০০ সালে নতুনভাবে উদ্যোগ নিয়ে “রানার গ্রুপ।” অটোমোবাইল ব্যবসায় অভ্যন্তরীণ বাজারে নিজেদের শক্ত ভিত তৈরিতে সক্ষম হয়। জনাব হাফিজুর রহমানের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় ও নেতৃত্বে রানার গ্রুপ অটোমোবাইল ব্যবসায় স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসাবে রূপলাভ করে। রানার গ্রুপ মোটরসাইকেল, ট্রাক, পিক-আপ, অটোমেটিক ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং, রিয়েল এস্টেট, বিপণন এবং আরও নানাবিধ সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের সাথে সম্পপৃক্ত হয়।

জনাব হাফিজুর রহমান খান বুঝতে পেরেছিলেন দেশে শিল্পকারখানা স্থাপন ছাড়া উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা যাবে না। কারণ, শিল্পের বিকাশ ঘটলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। সমাজে বেকারত্ব ঘোচে ও দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক দিক পরিলক্ষিত হয়। একটি মৌলিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে প্রয়োজনে আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদির জন্য আরও ছোটখাট কারখানার সৃষ্টি হয়। সমাজে কৰ্মতৎপরতা বেড়ে যায়, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ছোঁয়ায় জীবন হয় ধন্য। তাই তিনি রানার অটোমোবাইল লিঃ, রানার মটরস লিঃ, রানার ব্রিকস লিঃ, রানার প্রপার্টিজ লিঃ, বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটি ট্রাস্ট ও রানার সিস্টেম টেকনোলজি-এর সমন্বয়ে রানার গ্রুপ গড়ে তোলেন। তিনি রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান। তিনি দেশের অর্থনীতিতে বেকারত্ব ঘুচিয়ে ইতিবাচক অবস্থান তৈরিতে ভূমিকা রেখে চলেছেন। গঠনমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ ও কর্মের প্রতি আদর্শবান ব্যক্তিত্ব হাফিজুর রহমান খান। তিনি নিষ্ঠাবান।

ভবিষ্যৎকে আলিঙ্গন করার দূরদৃষ্টিস্পন্ন জ্ঞান তাঁর সক্ষমতারই পরিচয় বহন করে। নিরলস শ্রমসাধনা, গঠনমূলক পরিকল্পনা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং সুনিপুণভাবে মানবসম্পদকে কাজে লাগানো তার কাজের বৈশিষ্ট্যেরই রূপ। তার গুণগত কর্মের মাঝেই নিজ সাৰ্থক জীবনের পূর্ণতা।

জনাব হাফিজের ভাবনা, নৈতিকতার সাথে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাব, সৃষ্টিকর্তার কাছে পুরস্কার প্রার্থনা, দৃঢ়তার সাথে পথ চলিব’। শিক্ষিত সমাজ তৈরির সাধক তিনি; শুধু শিল্প-ব্যবসা-বাণিজ্যেই আবদ্ধ হয়ে থাকেননি— নিজের উপলব্ধি ও তাড়িত স্বপ্ন থেকে গড়ে তোলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি মনে করেন, এ দেশকে উন্নয়নের শীর্ষে নিয়ে যেতে হলে দেশের মানুষকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। এ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে নিয়েই শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি হৃদয়ঙ্গম করেছেন- শিক্ষাই জাতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও সভ্যতার স্বর্ণশিখরে পৌছার প্রকৃত পথ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবান— ‘শিক্ষাকে আমরা খরচ মনে করি না, আমি মনে করি এটি বিনিয়োগ; জাতিকে গড়ে তোলার বিনিয়োগ’। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহবানকে শ্রদ্ধার সাথে মূল্যায়ন করে শিক্ষানুরাগী হাফিজুর রহমান শিক্ষা প্রসারে আরও বেগবান হন। তিনি শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করেই ক্ষান্ত নন- তার সঠিক ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার মান বজায় রাখা, পাঠদান পদ্ধতি সর্বোপরি সময়ের যোগ্য সন্তান গড়ে উঠতে যা যা দরকার সবদিকেই কড়া নজরদারি রয়েছে তার। ‘শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই’। এই স্লোগানকে মনে ধারণ করে শিক্ষা প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা রেখে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন।

সমাজের প্রতিটি স্তরে জ্ঞান প্ৰদীপের আলো পৌঁছে দেওয়া, সমাজের তরুণ-তরুণীদের শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া ব্যক্তিটির নাম হাফিজুর রহমান খান। রাজশাহীর একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল যেখানে শিক্ষিত লোকের হার খুবই কম। সেখানে তিনি আপাতত ৫০ বিঘা জমির উপর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষা ক্ষেত্রে গতি আনয়ন, শিক্ষা সহজলভ্য করার মানসিকতায় উদ্ধৃদ্ধ হয়ে এই শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্বের পথ চলা। তিনি শিক্ষাকে মানুষের মাঝে জাতি গঠনের প্রক্রিয়াতে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিশ্রমী ও পারঙ্গম স্থপতি। শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষাই মানবসম্পদ তথা জাতি গঠনের মূল উপাদান— এই বিষয়টি খুব ভালভাবেই বুঝতে পেরেছিলেন তিনি। এ সুবাদে একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষ গড়ার প্রতিষ্ঠান “বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়” স্থাপন করেছেন। যে দেশ তার মানবসম্পদকে কাজে লাগাতে পেরেছে সে দেশ বিশ্বায়নে বিশেষ স্থান করতে পেরেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়- “বাংলাদেশ এখন এগিয়ে চলছে, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’।

জনাব হাফিজুর রহমানের বিষয়ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করার পরিকল্পনা মানবসম্পদ উন্নয়নের সময়পোযোগী পদক্ষেপের দাবি রাখে। আজ আমরা “লার্নিং বেইজ শিক্ষা থেকে অনেক দূরে চলে গেছি, ‘রেজাল্ট বেইজ শিক্ষায় ডুবে গেছি। কীভাবে আমার সন্তান ভাল রেজাল্ট করতে পারবে সেদিকে বেশি দৃষ্টি দিচ্ছি। একবারও ভাবছি না। সন্তানটি প্রকৃত শিক্ষায় গড়ে উঠছে কিনা— শিক্ষার মৌলিক ভিত কতটুক মজবুত করতে পেরেছে। কতগুলো প্রশ্ন ভাল করে শিখে, রেজাল্ট ভাল করে ডিগ্রি অর্জন করা মূল উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে করে ছাত্রের প্রতি প্রচুর চাপ যেমন- ক্লাসের অতিরিক্ত কোচিং ক্লাস করা, বাসায় এসে কোচিংয়ের বাড়তি পড়া শেষ করা। তাতে পরিশ্রান্ত ছাত্রটির বিশ্রামেরও সময় মেলে না। জনাব হাফিজের ভাবনায় বিষয়ভিত্তিক বিদ্যা শিক্ষার উপর “লার্নিং বেইজ’ শিক্ষার দ্বারা লক্ষ্য করা যায়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে। তাই সময় এসেছে লার্নিং বেইজ শিক্ষা গ্রহণে মনোযোগী হওয়া। শিক্ষার মানে আরও উন্নতি ঘটাতে হবে। বিশ্বের সাথে এগিয়ে যেতে হলে সমমানের মেধার সমন্বয় ঘটাতে হবে। দেশের অর্ধেক নারী, সুতরাং নারীদের শিক্ষার উন্নয়নে জনাব হাফিজ খুব তৎপর। নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন ছাড়া সামাজিক উন্নয়নে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে পূর্ণ সাফল্য লাভে সক্ষম না হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। জনাব হাফিজুর রহমান খান সমাজহিতৈষী কার্যক্রমে অর্জন করেছেন মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। দেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে একজন অগ্রসর ব্যক্তিত্বের মর্যাদায় নিজেকে অধিষ্ঠিত করেছেন। তিনি মানবসম্পদ গড়ার সুচিন্তিত উদ্যমী পুরুষ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ