Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

মাওলানা ভাসানী

বাংলার মজলুম জননেতা


সাম্যবাদের আদর্শকে যিনি মনেপ্ৰাণে গ্রহণ করে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন, দেশের নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের জন্য যিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন, তিনি আর কেউ নন, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।

তার জন্ম এক সাধারণ পরিবারে ১৮৮০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহকুমার (বর্তমানে জেলা) ধানগড়া গ্রামে। জন্মের পর বাবা হাজী শরাফত আলী খান আদর করে ছেলের নাম রেখেছিলেন ‘চেগা মিয়া”। কিন্তু বাবা-মায়ের স্নেহ বেশিদিন পাননি। তিনি। তাঁর যখন মাত্র ছবছর বয়স, তখনই পিতার মৃত্যু হয়। তারপর এগারো বছর বয়সে মৃত্যু হয় মায়েরও। ভাসানীর আরও দুই বড়ভাই ছিল—আমীর আলি খান ও ইসমাইল খান। তাদেরও অকালমৃত্যু হয় একে একে। বেঁচে ছিলেন এক বোন এবং তিনি নিজে।

শৈশবেই সবাইকে হারিয়ে আবদুল হামিদ এসে আশ্রয় নেন। চাচা ইব্রাহিম খানের বাড়িতে। তিনি তাকে ভর্তি করিয়ে দেন সিরাজগঞ্জ শহরের এক মাদ্রাসায়। কিন্তু পড়াশোনায় মন বসেনি আবদুল হামিদের। ক্লাসের বাধ্যবাধকতা তার ভালো লাগত না। একদিন চাচার সঙ্গে অভিমান করে তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে চলে যান শাহজাদপুরে এক দূরসম্পর্কের ভগ্নীপতির বাড়িতে। সেখানে গিয়ে পড়াশোনা ছেড়ে শুরু করেন। খেতমজুরের কাজ।

ভাসানী যখন শাহজাদপুরে এই কাজ করছিলেন, তখন সেখানে এসে হাজির হন এক পিরসাহেব। তিনি এসেছিলেন সুদূর ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে। নাম তাঁর নাসিরউদ্দিন শাহ বোগদাদি। ভাসানী একদিন তার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি এই অনাথ বালকটিকে পিতৃস্নেহে কাছে টেনে নেন। পরে এই পিরসাহেবের সঙ্গেই তিনি চলে যান ময়মনসিংহ জেলার বল্লাগ্রামে। সেখানে গিয়ে তিনি ভাসানীকে আবার মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেন।

মক্তবের পড়া শেষ করে ভাসানী শুরু করেন শিক্ষকতা। মাদ্রাসার শিক্ষকতার চাকরি নিয়ে এরপর চলে আসেন তিনি টাংগাইলের কাগমারিতে। এখানে বছরখানেক থাকার পর তিনি পিরসাহেবের সঙ্গেই চলে যান আসামে তারই আস্তানায় ১৮৯৭ সালে।

তখন সারা ভারতে চলছিল ব্রিটিশ-বিরোধী সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন। ভাসানীও জড়িত হন দেশের রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে (১৯০৩)। তখন ভারতের বর্তমান উত্তরপ্রদেশের দেওবন্দ ছিল ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম প্ৰাণকেন্দ্র। ভাসানী পিরসাহেবের অনুমতি নিয়ে ১৯০৭ সালে চলে যান দেওবন্দে। ভর্তি হন। দেওবন্দ ইসলামিয়া মাদ্রাসায়। সেখানে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি চলতে থাকে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। বলতে গেলে দেওবন্দ থেকেই ভাসানীর রাজনৈতিক জীবনেরও শুরু। এখানকার শিক্ষা জীবন শেষ করে ভাসানী আবার ফিরে আসেন আসামে।

মানুষকে ধর্মীয়, শিক্ষাদানের জন্য পিরসাহেব এই সময় আসামের জঙ্গলে স্থাপন করেন ‘ইসলাম প্রচার মিশন’। ভাসানীও তখন মিশনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। মিশনের কাজ নিয়ে চলে আসেন বগুড়ার পাঁচবিবিতে। এখানে তাঁর পরিচয় হয় জমিদার শামসুদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সঙ্গে। ভাসানী জমিদার সাহেবের ছেলেমেয়েদের গৃহশিক্ষক নিযুক্ত হন। পরে শুধু গৃহশিক্ষকতা নয়, তার জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্বও পান তিনি। জমিদারি সংক্রান্ত ব্যাপারে ভাসানীকে প্রায়ই কোলকাতায় যাতায়াত করতে হতো। কোলকাতা তখন ছিল বিপ্লবী আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল। এই সময় বিপ্লবী দলের কিছু কর্মীর সাথে তার পরিচয় হয়।

১৯১৯ সালে ময়মনসিংহে কংগ্রেসের প্রাদেশিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উপলক্ষেই ভাসানী দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সানিধ্যলাভের সুযোগ পান। তখন থেকেই তিনি দেশবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হন। ১৯১৯ সালে ভাসানী আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে যোগ দিয়ে অসহযোগ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। গ্রেফতার হন, নয় মাসের জেল হয় তাঁর। এটাই ভাসানীর জীবনের প্রথম কারাবরণ। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ১৯২১ সালে তিনি আলিভ্রাতৃদ্বয় অর্থাৎ মাওলানা মোহাম্মদ আলি ও শওকত আলির ডাকে “খেলাফত আন্দোলন এবং একই সঙ্গে দেশবন্ধুর ডাকে ‘অসহযোগ আন্দোলনে যোগদান করেন। আবারও গ্রেফতার হন তিনি। এবার হয় তার সাতদিনের জেল।

১৯২২ সালে উত্তরবঙ্গ ও আসামে ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। বিপন্ন মানুষের সেবায় এগিয়ে আসেন ভাসানী। কোলকাতা থেকে আসেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, নেতাজি সুভাষ বসুসহ আরও অনেকে। ভাসানী এ-সব জাতীয় নেতার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুস্থমানুষের সেবায় দিনরাত কাজ করতে লাগলেন। ১৯২৪ সালে তিনি সিরাজগঞ্জে কংগ্রেসের বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। এই সম্মেলনে তিনি কংগ্রেসের জাতীয় নেতাদের কাছে দেশের নিরীহ প্রজাদের ওপর জমিদারদের জুলুম আর অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন। ফলে তিনি জমিদারদের বিরাগভাজন হন। অনেকের ব্যক্তিগত আক্ৰোশেরও শিকার হন। আত্মরক্ষার তাগিদে ভাসানীকে চলে যেতে হয় আসামের ধুবড়িতে। আশ্রয় নেন আসামের ধুবড়ি জেলার ভাসানচরে।

১৯২৫ সালে তিনি বগুড়ার জমিদার শামসুদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর কন্যা আলেমা খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের এক বছর পর তিনি স্ত্রীকে নিয়ে ফিরে যান আসামের ভাসানচরে। ১৯২৬ সালে আসামে শুরু করেন ‘কৃষক-প্রজা আন্দোলন’। ফলে জমিদাররা প্রমাদ গুনলেন। তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইংরেজ গভর্নরকে দিয়ে মাওলানা। ভাসানীকে ‘অবাঞ্ছিত ঘোষণা করালেন। ভাসানীকে বাংলা থেকে বহিষ্কার করার আদেশ । জারি করা হয়। অবশেষে ভাসানী সপরিবারে ঠাই নেন আসামের গহিন জঙ্গলে ঘাগমাড়া নামের এক জায়গায়। সাংগঠনিক কাজের জন্য মাঝেমধ্যে কোলকাতা বা অন্যান্য জায়গায় যেতে হলেও ভাসানী ১৯২৬ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত প্রায় লাগাতারভাবে আসামেই ছিলেন ।

১৯২৯ সালে তিনি আসামের ভাসানচরে এক কৃষক সম্মেলনের আয়োজন করেন। এখান থেকেই তাঁর নামের শেষে ভাসানী শব্দ যুক্ত হয় এবং মাওলানা ভাসানী’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৩১ সালে সন্তোষের কাগামারীতে এবং ১৯৩২ সালে সিরাজগঞ্জের কাওয়াখোলা ময়দানে তিনি বঙ্গ-আসাম প্রজা সম্মেলন আহ্বান করেন। এই সম্মেলনে প্রায় তিন লাখ লোকের সমাগম হয়েছিল। সম্মেলনের উদ্বোধন করেছিলেন হোসেন, শহিদ সোহরাওয়ার্দি ।

ভাসানীর জীবনে আসাম-পর্বের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল—লাইনপ্রথার বিরুদ্ধে সংগ্রাম। আসাম ছিল এক বিস্তৃত বিরান ও জঙ্গলপূর্ণ অঞ্চল। পূর্ববাংলা থেকে বাঙালি কৃষকরাই সেখানে গিয়ে প্রথম বন কেটে চাষাবাদ শুরু করে। জঙ্গলকে তারা শস্যখেতে রূপান্তরিত করে নিজেরা ধনী হয়ে ওঠে। প্রথম প্রথম স্থানীয় আদিবাসী অসমীয়রা ব্যাপারটিকে স্বাগত জানালেও শিগগিরই তারা বাঙালি চাষীদের হিংসে করতে শুরু করে। তাদের মনে ভয় ঢুকে যায়, বাঙালিরা হয়তো একদিন তাদের সবকিছু গ্রাস করে ফেলবে। আসামের পতিত জমির ওপর তাই লাইন টেনে দেয়া হয়েছিল, যে লাইনের বাইরে বাঙালি চাষীরা জমির বন্দোবস্ত পেত না। এই লাইনপ্রথা ও অসমীয়দের বাঙ্গাল খেদা আন্দোলনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন ভাসানী। এই প্রতিবাদ আন্দোলন তিনি গড়ে তুলেছিলেন ১৯২৫ সাল থেকে।

১৯৩৭ সালে ভাসানী আসামের প্রাদেশিক মুসলিম লিগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বে আসামের বারোটি জেলায় মুসলিম লিগের সংগঠন আরও জোরদার হয়। ওই একই বছর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আসামের ৩৪টি মুসলিম আসনের মধ্যে মুসলিম লিগ ৩১টি আসন লাভ করে। ভাসানী নিজেও আসাম আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন। মুসলিম লিগ মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হওয়ার পরও ভাসানী তাঁর লাইনপ্রথা ও বাঙ্গাল খেদা আন্দোলনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে লাগলেন। ফলে সরকারের সাথেও তাঁর সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। কেন্দ্রীয় মুসলিম লিগ নেতৃবৃন্দ তাঁকে নিজদলীয় সরকারের বিরোধিতা করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানান। কিন্তু ভাসানী তাঁর আদর্শের প্রতি অটল থাকেন।

১৯৩৮ সালে তিনি রংপুরের গাইবান্ধায় কৃষক প্রজা সম্মেলনের আয়োজন করেন। ১৯৪০ সালের ২২ ও ২৩ মার্চ তিনি জননেতা এ. কে. ফজলুল হকের সঙ্গে মুসলিম লিগের ঐতিহাসিক লাহোর সম্মেলনে যোগদান করেন। ১৯৪৪-এ আসাম প্রাদেশিক মুসলিম লিগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

আসামের লাইনপ্রথা-বিরোধী আন্দোলন থেকে সরে থাকার জন্য স্বয়ং মুহম্মদ আলি জিন্নাহ্ পর্যন্ত তাকে অনুরোধ করেন; কিন্তু জিন্নাহর প্রস্তাবও ভাসানী প্রত্যাখ্যান করেন। অবশেষে তার সূচিত আন্দোলনের মুখেই ১৯৪৬ সালে দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আসামের মুসলিম লিগ সরকারের পতন ঘটে। তবে পুলিশ বাঙালিদের ওপর গুলি চালায় এবং একজন নিহত হয়। ভাসানী গ্রেফতার হন।

১৯৪৭ সালের ২৯ জুন ভাসানী গৌহাটি কারাগার থেকে ছাড়া পান। ছাড়া পেয়েই তিনি ছুটে আসেন সিলেটে। পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বমুহুর্তে সিলেট পাকিস্তানের অংশ হবে কি-না, এই নিয়ে হয় গণভোট। ভাসানী সিলেটকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তকরণের পক্ষ সমর্থন করেন। এই আন্দোলন সফল হয়েছিল।

১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ভারতবর্ষ। দ্বিখণ্ডিত হয়ে জন্ম হয় দুটি পৃথক রাষ্ট্রের— পাকিস্তান ও ভারত। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর আসাম সরকার মাওলানা ভাসানীকে অবিলম্বে আসাম ত্যাগের নির্দেশ দেয়। ১৯৪৮ সালে তিনি ফিরে আসেন। টাংগাইলের কাগমারিতে ।

১৯৪৭ সালের প্রথমদিকে পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদের টংগাইল আসন শূন্য হলে ভাসানী উপনির্বাচনে অংশ নেন এবং খাজা নাজিমুদ্দিন মনোনীত প্রার্থী জমিদার খুররম খান পায়ীকে পরাজিত করে পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। কিন্তু খাজা নাজিমুদ্দিন ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই উপনির্বাচন বাতিল ঘোষণা করেন। শুধু তাই নয়, ১৯৫০ সাল পর্যন্ত যাতে ভাসানী কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, এই মর্মেও এক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

১৯৪৯ সালে সোহরাওয়ার্দি ঢাকায় ফিরে এলে মুসলিম লিগের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ভাসানী একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নেন। এই উদ্দেশ্যেই ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় ‘আওয়ামী মুসলিম লিগা’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করা হয়। দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।

ভুখা মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে ১৯৪৯ সালে তিনি গ্রেফতার হন। ১৯৫০-এর শেষের দিকে তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অনশন ধর্মঘট পালন করেন এবং মুক্তি লাভ করেন ।

বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৯৫২-সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকা জেলা বার লাইব্রেরি হলে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদ গঠিত হয় এবং তিনি এর অন্যতম প্রধান সদস্য নিযুক্ত হন। তিনি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে সহযোগিতার জন্য গ্রেফতার হন। ১৬ মাস কারানির্যাতন ভোগ করে মুক্ত হয়ে পূর্ববঙ্গ পরিষদের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লিগকে মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এ. কে. ফজলুল হক ও হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দির সাথে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন।

১৯৫৪ সালের ২৭ মে বার্লিনে শান্তি সম্মেলনে যোগদানের জন্য ভাসানী লন্ডন সফরে যান। কিন্তু পাকিস্তান সরকারের চক্রান্তের অংশ হিসেবে তাকে জার্মানি যাবার ভিসা দেয়া হয়নি। বিদেশে থাকতেই সংবাদ পান পূর্ববঙ্গে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বাতিল এবং যুক্তফ্রন্ট নেতাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাই সেই মুহুর্তে দেশে ফিরতে পারলেন না তিনি। পরে ১৯৫৫ সালের ২৫ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দি ভাসানীকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনেন।

ভাসানীর রাজনৈতিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা কাগমারি সম্মেলন। তার একান্ত উদ্যোগে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৫৭ সালের ৮ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত । এতে পূর্ববঙ্গ, পশ্চিম পাকিস্তান ও ভারত থেকে বহু বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা এবং বুদ্ধিজীবী অংশগ্রহণ করেন। পূর্ববঙ্গের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন, গণ-বিরোধী সামরিকচুক্তি বাতিল এবং নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির দাবিতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মাওলানা ভাসানী এই সম্মেলনেই তাঁর অগ্নিবৰ্ষ কণ্ঠে বলেছিলেন, দাবি মানা না হলে ভবিষ্যতে আজ থেকে দশ বছর পরে এমন এক সময় আসতে পারে, যখন পূর্ব বাংলা পশ্চিম পাকিস্তানকে “আচ্ছালামু আলাইকুম' বলবে। ভাসানীর সেদিনকার স্বপ্ন বাস্তবে রূপলাভ করেছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে-কাগমারি সম্মেলনের ১৪ বছর ১ মাস ১৬ দিন পর পাকিস্তানের ভেঙে যাওয়া এবং স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্মলাভের ঘটনায় ।

সেই বছরই অর্থাৎ ১৯৫৭ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন করেন এবং তিনি এর সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর স্বঘোষিত ফিল্ড মার্শাল আইউব খান দেশে সামরিক আইন জারি করেন। দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভাসানীকেও গ্রেফতার করা হয়। তিনি ঢাকায় ৪ বছর ১০ মাস অন্তরীণ থাকেন।

১৯৬৪ সালের আইউব-বিরোধী “কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি বা 'কপ' গঠিত হলে ভাসানীর ন্যাপোও তাতে যোগদান করে। ১৯৬৭ সালে ন্যাপ দুভাগে ভাগ হয়ে যায়। ভাসানী হন। চীনপন্থি ন্যাপের সভাপতি, অন্যদিকে মস্কোপন্থি ন্যাপের সভাপতি হন অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ।

১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হলে সারাদেশে গড়ে ওঠে আন্দোলনে। ভাসানীও এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলার বিরুদ্ধে আন্দোলনে শরিক হন। আন্দোলনের মুখে অবশেষে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়। বঙ্গবন্ধু বের হয়ে আসার পর আইউব-বিরোধী তথা পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার আন্দোলন আরও  জারদার হয়। এই আন্দোলনের অন্যতম অগ্রনায়ক ছিলেন মাওলানা ভাসানী।

১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে মাওলানা ভাসানী অংশগ্রহণ করেননি। নির্বাচনের পর ইয়াহিয়া খান যখন নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা মির্জনকারী দল আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করতে শুরু করেন, তখন মাওলানা ভাসানী বজকণ্ঠে বললেন : “প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া, তাই বলি, অনেক হইয়াছে কিন্তু আর নয়।”

১৯৭০-এর ৪ ডিসেম্বর তিনি পল্টনের এক জনসভায় ভাষণদানকালে ‘স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান’ গঠনের দাবি উত্থাপন করেন। শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সূচিত (৩— ২৫ মার্চ ১৯৭১) অসহযোগ আন্দোলনে সমর্থন জ্ঞাপন করেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর বর্বর আক্রমণ চালালে তিনি ভারতে চলে যান। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য মনোনীত হন। ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

মাওলানা ভাসানীর জীবনের আরেকটি বড় কাজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপন। তিনি যুদ্ধের আগেই ১৯৭০ সালের ৮ ডিসেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন। পরে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু সরকারের সময়ে এটি বাস্তব রূপলাভ করে ।

গঙ্গানদীর ওপর ভারতের ফারাক্কা বাঁধ তৈরির প্রতিবাদে ১৯৭৬ সালের ১৫ মে তিনি মিছিল বা লংমার্চ করেন। এটা ছিল তার সংগ্রামী জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

১৯৭৬ সালের ৫ এপ্রিল তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২৮ মে প্রথম তাঁকে ঢাকার পিজি হাসপাতালে, পরে মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখানেই তিনি ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর পরলোকগমন করেন। তাকে টাংগাইলের সন্তোষের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমাধিস্থ করা হয়।

দেশের মানুষের কাছে তিনি মজলুম জননেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির একজন পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাগামারীতে ১৯৫৭ সালে আফ্রোএশীয় সাংস্কৃতিক সম্মেলনের অনুষ্ঠিত তাঁর জীবনের এক উল্লেখযোগ্য কীর্তি।

  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ