Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

শেরে বাংলা ফজলুল হক

বাংলার কৃষক-শ্রমিকের প্রাণপ্রিয় নেতা


শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক এদেশের মাটি ও মানুষকে এমনভাবে ভালোবেসেছিলেন যে, গোটা দেশটাই যেন ছিল তার পরম আত্মীয়, আপনজন। এদেশের কৃষক, শ্রমিক, কুলি, কামার, কুমার—এরা সবাই ছিল তাঁর পরম বন্ধু। তিনি ছিলেন তাদেরই প্রিয় নেতা।

এই মহান জনদরদি নেতার জন্ম ১৮৭৩ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলাদেশের বর্তমান পিরোজপুর জেলা চাখারে। পিতা কাজি ওয়াজেদ আলি ছিলেন বরিশাল সদর কোর্টের নামজাদা সরকারি উকিল।

ফজলুল হকের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় গ্রামের পাঠশালাতে। তখন তিনি ছিলেন মাত্র পাঁচ বছর বয়সের এক অবুঝ শিশু। কিন্তু তখনি তাঁর ছিল অসাধারণ স্মৃতিশক্তি। একবার পড়লেই সব পড়া তার মুখস্থ হয়ে যেত। কোনো বই তিনি একবারের বেশি পড়তেন না। ক্লাসে সবসময় প্রথম হতেন। ক্লাসে যেমন ছিলেন সেরা ছাত্ৰ, তেমনি খেলার মাঠেও ছিলেন সেরা খেলোয়াড়। তাঁর ছিল অসাধারণ দৈহিক শক্তি। বিশাল ছিল তাঁর বক্ষ, সুউচ্চ শির, শক্তিশালী দুটো হাত আর দুটো পা। তাঁর সঙ্গে শক্তিতে এঁটে উঠতে পারে এমন সাধ্য কার!গায়ের পড়া শেষ করে তিনি এসে ভর্তি হন বরিশাল জেলা স্কুলে। ১৮৮৯ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি এই স্কুল থেকেই ডিভিশনাল স্কলারশিপসহ এন্ট্রান্স পরীক্ষায় পাস করেন।

তারপর উচ্চশিক্ষার জন্য কোলকাতায় এসে ভর্তি হন প্রেসিডেন্সি কলেজে। এখানেও কলেজের সেরা ছাত্র হিসেবে নিজেকে প্রতিপন্ন করেন। এই কলেজ থেকেই তিনি ১৮৯১ সালে এফ. এ. পাস করেন এবং একই কলেজ থেকে অঙ্কশাস্ত্ৰ, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নশাস্ত্ৰ নিয়ে অনার্সসহ বি. এ. পরীক্ষায় প্রথমশ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন ১৮৯৪ সালে। ১৮৯৫ সালের কথা। ইংরেজিতে এম. এ. দেয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলেন তিনি। এমন সময় এক বন্ধু এসে তাঁকে ঠাট্টা করে বলেন- অঙ্ক দেখে ভয় পাও দেখেই তো ইংরেজি নিয়ে পড়ছ। আর যায় কোথা? তিনি তখনি পড়ার টেবিলে ঘুষি মেরে বললেন- আমি অঙ্কেই পরীক্ষা দেব। আমি যে অঙ্কে ভয় পাই না তা দেখিয়ে দেব। এরপর তাই হলো। মাত্র ছয় মাসের প্রস্তুতি নিয়ে অঙ্কে রেকর্ড মার্ক পেয়ে পাস করলেন তিনি।

১৮৯৭ সালে বি. এল. পাস করে বাংলার মনীষী স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের অধীনে কোলকাতা হাইকোর্টে যোগদান করেন ফজলুলক হক। শিক্ষাজীবন শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ১৮৯৭ সালে নবাব আবদুল লতিফের পৌত্রী এবং নবাব সৈয়দ মোহাম্মদ আলীর কন্যা খুরশিদ তালাত বেগমকে বিয়ে করেন। ফজলুল হকের প্রথম স্ত্রী বেশিদিন বাঁচোননি। মাত্ৰ দুটো কন্যাসন্তানের মা হওয়ার পরই তালাত বেগমের মৃত্যু হয়। এরপর তিনি বিয়ে করেন। হুগলি জেলার অধিবাসী ইবনে আহমদের কন্যা বেগম জিনাতুন্নেসাকে। কিন্তু জিনাতুন্নেসাও নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান। এরপর ১৯৪৩ সালে তৃতীয়বারে তিনি বিয়ে করেন ভারতের মিরাটের এক সন্ত্রান্ত মহিলাকে।

স্যার আশুতোষের অধীনে তিন বছর শিক্ষানবিশি করার পর ১৯০০ সাল থেকে স্বাধীনভাবে তিনি আইন ব্যবসায় নামেন। এর এক বছর পরেই ১৯০১ সালে তাঁর পিতার মৃত্যু হলে তিনি কোলকাতা ছেড়ে বরিশাল এসে আইনব্যবসা শুরু করেন। ফজলুল হকের সর্বপ্রথম রাজনীতিতে প্রবেশ ঘটে ১৯০২ সালে স্থানীয় পৌরসভার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ভেতর দিয়ে। এই সময়ই তার জীবনে ঘটে এক বিরাট পরিবর্তন। নির্বাচনে জেতার পর তার মনে সমাজসেবার আকাজক্ষা প্রবল হয়ে ওঠে।

১৯০৫ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন। সম্মেলনের উদ্যোক্তা ছিলেন স্যার সলিমুল্লাহ। এই সম্মেলনেই তিনি মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনের যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় নিখিল-ভারত মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন। এতে সর্বভারতীয় মুসলিম সমাজকে একত্রিত করার পেছনে তাঁর ছিল বিরাট অবদান। এই সম্মেলনের বড় তাৎপর্য ছিল এই যে, এর ভেতর দিয়েই মুসলিম লিগ গঠনের গোড়াপত্তন হয়। তখন ফজলুল হকের মাত্ৰ ৩৩ বছর বয়স। এই সময় তাঁর পেশাগত জীবনের পরিবর্তন ঘটে। তিনি আইনব্যবসা ছেড়ে দিয়ে যোগদান করেন সরকারি চাকরিতে। সরকার তাকে সমবায় বিভাগের সহকারী নিবন্ধকের পদে নিয়োগ করেন। কিন্তু সরকারি চাকরির বাঁধাধরা নিয়ম-শৃঙ্খলা তার বেশিদিন ভালো লাগে না। ১৯১১ সালে তিনি সরকারি চাকরি ছেড়ে আবারও রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে পড়েন।

১৯১৩ সালে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার নির্বাচনে প্রবল প্রতাপশালী জমিদার রায়বাহাদুর কুমার নগেন্দ্রনাথ মিত্ৰকে হারিয়ে তিনি বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এই বছরই তিনি মুসলিম লিগেরও সদস্যপদ লাভ করেন। বঙ্গীয় মুসলিম লিগের সভাপতি হন স্যার সলিমুল্লাহ আর ফজলুল হক নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি এই সময় নিখিল ভারত মুসলিম লিগেরও যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন।

ফজলুল হকের নেতৃত্বে ১৯১৫ সালে গঠিত হয় নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতি। এই প্রজা সমিতি পরবর্তীকালে দেশের জমিদার ও মহাজনশ্রেণীর বিরুদ্ধে আন্দোলন পরিচালনা করে। ১৯১৬ সালে তিনি বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লিগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এই বছরেরই ডিসেম্বরে ভারতের লক্ষ্ণৌতে মুসলিম লিগ ও কংগ্রেসের একটি যুক্ত অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের জন্য স্বাক্ষরিত হয় লক্ষ্মৌ চুক্তি।১৯১৮ সালে শেরে বাংলা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জেনারেল সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।

১৯১৯ সালে মহাত্মা গান্ধির নেতৃত্বে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। এই আন্দোলনকে পদদলিত করার জন্য পাস হয় রাউলাট অ্যাক্ট । এই বছরেরই ২৪ ফেব্রুয়ারি এর প্রতিবাদে ডাকা হয় সভা। সভাপতি ছিলেন শেরে বাংলা ফজলুল হক।

১৯২০ সালে তিনি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশ করেন দৈনিক "নবযুগ” পত্রিকা। ১৯২২ সালে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইনসভার সদস্য।

১৯২৪ সাল ছিল শেরে বাংলার রাজনৈতিক জীবনের এক স্মরণীয় বছর। এই বছরই তিনি তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার শিক্ষামন্ত্রীর পদ গ্রহণ করেন। প্রায় দেড় বছরকাল তিনি অধিষ্ঠিত ছিলেন এই পদে। ১৯২৭ সালে তিনি গঠন করেন নিখিল বঙ্গ কৃষক প্রজা সমিতি। তিনিই এই সংগঠনের সভাপতি হন। মূলত তিনি মুসলিম লিগের নেতা হলেও তাঁর বেশি ঝোঁক ছিল কৃষক প্রজা সমিতির প্রতি। ১৯৩০-৩১ সালে তিনি প্রথম লন্ডনে গোলটেবিল বৈঠকে যোগদান করেন। এই বৈঠকে যোগদান করতে এসে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে তার মতবিরোধ হয়। ১৯৩৫ সালে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতীয় ভারতের কেন্দ্রীয় আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হন কোলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র ও কৃষক প্রজা পার্টির সভাপতি ।

১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠিত হয় অখণ্ড বঙ্গদেশের ঐতিহাসিক নির্বাচন। এই নির্বাচনে তিনি কৃষক প্ৰজাপার্টির পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং নির্বাচিত হন। নির্বাচনে ১১৯টি মুসলিম আসনের মধ্যে শেরে বাংলার কৃষক প্রজা পার্টি লাভ করে ৪৩টি আসন। মুসলিম লিগ পায় ৩৮টি। তিনি মুসলিম লিগের সঙ্গে কোয়ালিশন করে গঠন করেন মন্ত্রিপরিষদ। তিনি হন। অখণ্ড বাংলার প্রধানমন্ত্রী। এই বছরই তাঁকে ‘শেরে বাংলা’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

তাঁর সরকারের আমলেই ১৯৩৮ সালে ঋণ সালিশি বোর্ড গঠিত হয়। ১৯৩৯ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ করে পাস করা হয় প্রজাস্বত্ব আইন। ১৯৪০ সালে পাস করা হয় মহাজনি আইন। এই বছর তিনি ঢাকায় আসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।

১৯৪০ সালে শেরে বাংলা পেশ করেন তার ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। এই প্রস্তাবে তিনি বলেছিলেন, যেসব এলাকা একান্তভাবেই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ, যেমন উত্তর পশ্চিম-সীমান্ত এলাকা এবং ভারতের পূর্বাঞ্চল, প্রয়ােজন অনুযায়ী সীমানা রদবদল করে ওইসব এলাকাকে ভৌগোলিক দিক দিয়ে এমনভাবে পুনর্গঠিত করা হোক, যাতে তারা স্বাধীন ও স্বতন্ত্র ‘স্টেটস'-এর রূপ লাভ করে এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটদ্বয় সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌমত্বের মর্যাদা লাভ করতে পারে। লাহোর প্রস্তাবের এটাই ছিল মূল কথা। ১৯৪১ সালে শেরে বাংলার সঙ্গে মুহম্মদ আলি জিন্নাহর মতপার্থক্য তীব্রতর হলে তিনি মুসলিম লিগের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর ১৯৪৩ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকেও সরে দাঁড়ান।

১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হয়। জন্ম হয় দুটো পৃথক রাষ্ট্রের—একটি ভারত, অপরটি পাকিস্তান। পাকিস্তানের একটি অংশ পূর্ব পাকিস্তান। কিন্তু শেরে বাংলার এমনটা কাম্য ছিল না। তাঁর লাহোর প্রস্তাবে পূর্ববাংলাকেও একটি পৃথক স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র করার কথা ছিল। কিন্তু তা হলো না।

১৯৫৩ সালে হক-ভাসানী-সোহরাওয়ার্দির নেতৃত্বে গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট। প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে তিনি হন যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা বেশি দিন স্থায়ী হতে পারে নি। যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা ভেঙে গেলে মুসলিম লিগ প্রভাবিত একটি নতুন মন্ত্রীপরিষদ গঠিত হলেও, শেরে বাংলা আর তাতে যোগ দেননি। তিনি যোগদান করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে তিনি প্রায় বছরখানেক ছিলেন। ১৯৫৬ সালে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিযুক্ত হন। কিন্তু সেখানেও তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হতে থাকে। অবশেষে ১৯৫৮ সালে তিনি গভর্নরের পদ থেকে অপসারিত হন। এভাবেই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে শেরে বাংলার সম্পর্কের ইতি ঘটে। এই বছরই আইউব খান সামরিক আইন জারি করে ক্ষমতা দখল করেন।

শেরে বাংলা যখন ক্ষমতা হারান, তখন সারাদেশে চলছিল বসন্ত রোগের মহামারী।তিনি তাঁর অনুসারীদের নিয়ে গঠন করেন “পূর্ব পাকিস্তান সেবা সমিতি” নাম দিয়ে একটি সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। তিনি আত্মনিয়োগ করেন আর্তমানবতার সেবায়।

শেরে বাংলার শেষ জীবন ছিল খুবই নিঃসঙ্গ এবং দুঃখভারাক্রান্ত। সেকালের মুসলিম লিগ সরকারও তার প্রতি বিন্দুমাত্র সুনজর দেয়নি। যারা একদা তারই অনুগ্রহে সুবিধা ভোগ করেছিলেন, তারাও তাকে একনজর দেখতে আসেননি। অবশেষে উপস্থিত সেই দিনটি। অর্ধ শতাব্দীরও বেশিকাল ধরে ইতিহাসের অবিসংবাদিত মহানায়কের মর্যাদায় অভিষিক্ত থাকার পর ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

শেরে বাংলার বিশাল ব্যক্তিত্ব ছিল আশ্চর্য উপাদানে গঠিত। একদিকে ছিল বহুমুখী প্রতিভা, ছিল বুদ্ধি ও যুক্তির প্রখর্য, অন্যদিকে আবেগ, উচ্ছাস, সরলতা ও উদারতা। তার ব্যক্তি চরিত্রের অনেক ঘটনা নাটকীয়তা ও বিস্ময়ে ভরা।

তিনি একজন লেখকও বটেন। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের নাম- Bengal Today (1944)।

তৎকালীন পাকিস্তান সরকার তাকে "হিলালি পাকিস্তান” খেতাবে ভূষিত করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়েছিলেন সম্মানসূচক ডক্টর অব ল' ডিগ্রি।

 

  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ