Bangladesh Icon
আইকন সংবাদ:

তাজউদ্দীন আহমদ

বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী


তাজউদ্দিন আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী । তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল রাজনীতিতে বিশ্বাসী ৷ আওয়ামী লীগকে বাঙালি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার রূপায়ণকারী প্ৰগতিশীল রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার রয়েছে অপরিসীম অবদান ।

ষাটের দশকে পূর্ববাংলায় যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তিনি ছিলেন তার অন্যতম প্রাণপুরুষ। বলতে গেলে তাঁর ও বঙ্গবন্ধুর সম্মিলিত নেতৃত্বেই এই আন্দোলন সর্বাধিক উজ্জীবিত হয়েছিল।

তাজউদ্দীন ছিলেন মূলত সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থাশীল। তিনি যখন পরবর্তীকালে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী ছিলেন, তখন ব্যাংক, বীমা ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করার ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন।

বস্তৃত বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন সুযোগ্য সহকর্ম ছিলেন তাজউদ্দীন। তিনি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিলেন এবং তিনিই ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তিনি অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠন করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিচালনা করেছিলেন।

তাজউদ্দীন আহমদের জন্ম ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই ঢাকা জেলার গাজীপুরের (বর্তমানে জেলা) কাপাসিয়া থানার দরদরিয়া গ্রামে। তিনি ছিলেন এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান ।

গ্রামের স্কুলেই শুরু হয় তাঁর শিক্ষাজীবন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৬ সালে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণীতে বি.এ. অনার্স পাস করেন এবং ১৯৬৪ সালে জেলা থেকে পরীক্ষা দিয়ে ল পাশ করেন। তিনি চল্লিশের দশকেই নিখিলবঙ্গ মুসলিম ছাত্র লীগ এবং বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লিগের নেতৃস্থানীয় সদস্য ছিলেন।

তারপর ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর মুসলিম লিগের সাম্প্রদায়িক ও গণবিরোধী নীতির প্রতিবাদে মুসলিম লিগের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরই তৎকালীন মুসলিম লিগ সরকারের পক্ষ থেকে বাংলা ভাষার ওপর আঘাত আসে। বাংলাভাষার মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র চলতে থাকে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। তখন বাঙালি মাত্রই এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। এই আন্দোলনে যারা নেতৃত্বদান করেছিলেন, তাদের অন্যতম ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।

এই আন্দোলনের জন্য ১৯৪৮ সালে গঠিত হয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ। তিনি ছিলেন এর অন্যতম নেতা। এরপর ১৯৫২ সালেও আরেকটি রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় । তিনি এই দ্বিতীয় পরিষদেরও ছিলেন অন্যতম নেতা ।

তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৫১ সালের এপ্রিল মাসে পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগ গঠন করেন। তিনি এই সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৫১ সাল থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত । তিনি ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং কারাবরণও করেন ।

কারাগার থেকে বের হয়ে এসে ১৯৫৩ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। এবং ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হয় প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন। এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লিগের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধীদল গঠন করে যুক্তফ্রন্ট। তিনি যুক্তফ্রন্টের মনোনয়নে কাপাসিয়া অঞ্চল থেকে পূর্ববঙ্গ আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন ।

একই বছর (১৯৫৪) যুক্তফ্রন্ট সরকারের পতন হলে তাজউদ্দীন জুনমাসে ৯২-ক ধারায় গ্রেপ্তার হন। তিনি ১৯৫৫ সালের ২৭ অক্টোবর কাউন্সিল সভায় নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক ও সমাজসেবা সম্পাদক ।

১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান সারাদেশে সামরিক শাসন জারি করেন। আওয়ামী লীগসহ দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। শুধু তাই নয়, দেশের নিরাপত্তার নামে রাজনৈতিক নেতাদেরও গ্রেপ্তার করে জেলে পোরা হয়। এই সময় তাজউদ্দীন আহমদও গ্রেপ্তার হন। এক বছর পর তিনি মুক্তিলাভ করেন ১৯৫৯ সালে।

১৯৬২ সালে তিনি হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দির নেতৃত্বে পরিচালিত ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টে (NDF) যোগদান করেন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৬৪ সালের ২৫ জানুয়ারি আবার আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। দলের এই পুনর্গঠন উদ্যোগে তাজউদ্দীনও সবিশেষ ভূমিকা পালন করেন। একই বছরের ৮ মার্চ (১৯৬৪) দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হলে তিনি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। কিন্তু এপ্রিল (১৯৬৪) মাসেই তিনি আবার গ্রেপ্তার হন ।

জেল থেকে মুক্তি পান প্রায় একবছর পর। ১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে সম্মিলিত বিরোধীদলের প্রার্থী ফাতেমা জিন্নাহর নির্বাচনী প্রচার অভিযানে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। যদিও এই নির্বাচনে ফাতেমা জিন্নাহ পরাজিত হন।

১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন তাজউদ্দীন আহমদ । এই সম্মেলনের বিষয়-নির্বাচনী কমিটিতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ৬-দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন।

তিনি ১৯৬৬ সালের ১৯ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত দলের সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। প্রায় ছয় বছর এই পদে দায়িত্ব পালন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ৬-দফার প্রচার অভিযানে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

১৯৬৬ সালের দেশরক্ষা আইনে তিনি আবার গ্রেপ্তার হন। এবার তাঁকে পুরো দুবছর অন্তরীণ রাখা হয়। তিনি এবং বঙ্গবন্ধু তখন দুজনেই কারাগারে। এই কারাগার থেকেই তাদের নামে আন্দোলন পরিচালিত হতে থাকে। দেশে শুরু হয়ে যায় ছয়-দফার ভিত্তিতে প্ৰবল গণআন্দোলন ।

অবশেষে এই প্রবল গণআন্দোলনের মুখে ১৯৬৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তিলাভ করেন। তিনি এবং বঙ্গবন্ধু জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর গণআন্দোলন আরো জোরদার হতে থাকে। ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত প্ৰচণ্ড । গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর পরেই ছিল তাঁর স্থান।

বিরোধীদল ও সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ মীমাংসার জন্য রাওয়ালপিণ্ডিতে প্রেসিডেন্ট আইউব খান ১৯৬৯ সালে গোলটেবিল বৈঠক ডাকেন। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বছরেরই যথাক্রমে ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১০, ১১ ও ১২ মার্চ। আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে বৈঠকে যোগদান করেন তাজউদ্দীন আহমদও ।

১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনে অবশেষে স্বৈরশাসক আইয়ুব খান ক্ষমতা ত্যাগ করে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন। এরপর ক্ষমতায় আসেন জেনারেল ইয়াহিয়া খান।

ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় এসে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দান করেন। এই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ১৯৭০ সালে তিনি নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয় ৭ ডিসেম্বর (১৯৭০)।

তাজউদ্দিন আহমদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থাঁ হিসেবে ঢাকা-৫ আসন থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সারা পাকিস্তানে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকেন। এরি প্রেক্ষিতে সারাদেশে আবার শুরু হয়। গণআন্দোলন। ১৯৭১ সালের মার্চে উত্তাল অসহযোগ আন্দোলনের প্রধান কাণ্ডারিদের তিনিও ছিলেন একজন। সারাদেশ তখন বিক্ষোভে উত্তাল ।

বাঙালি জাতির এই আন্দোলনকে দমন করার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানি চক্র তখন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ইয়াহিয়া খান এই বলে বঙ্গবন্ধুকে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করলেন যে, আলোচনার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করার প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ঢাকায় তিনি ডাকলেন বৈঠক।

পশ্চিম পাকিস্তান থেকে জুলফিকার আলি ভুট্টোর সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে ইয়াহিয়া খান ঢাকায় এলেন আলোচনা করতে ।

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ইয়াহিয়ার এই আলোচনা বৈঠকের সময় তাজউদ্দিন আহমদও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু আলোচনা ব্যর্থ হয়।

তারপর সেই রাতেই অৰ্থাৎ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর আধুনিক মারণাস্ত্ৰে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা শুরু করে। তখন তাজউদ্দিন আহমদ বঙ্গবন্ধুর পরামর্শে পালিয়ে আত্মরক্ষা করেন এবং তাঁর সহযোগীদের নিয়ে ভারতে গমন করেন। বঙ্গবন্ধুকে পাকবাহিনী গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানে নিয়ে যায় ।

তাজউদ্দীন ভারতে অবস্থান করে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু করার পরিককল্পনা গ্রহণ করেন। দেশকে হানাদার মুক্ত করার জন্য শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

১৯৭১ সালের ১২ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে তিনি বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বাংলাদেশ থেকে ও বাঙালি সেনা সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এদের সমবায়ে গঠিত হয় মুক্তিবাহিনী।

মুক্তিবাহীনির জন্য অস্ত্ৰ সংগ্রহ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের ব্যাপারে তাজউদ্দীন কৃতিত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ভারত, রাশিয়া, পূর্ব জার্মানি (তখন বিভক্ত ছিল) ও পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ তাঁর সরকারের প্রতি সমৰ্থন জ্ঞাপন করে মুক্তিযুদ্ধে নৈতিক ও আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা করতে থাকে। অন্যদিকে বাংলাদেশের সর্বত্র মুক্তিবাহিনী গেরিলাযুদ্ধের কৌশল অবলম্বন করে আক্রমণ চালিয়ে পাক হানাদার বাহিনীকে পর্যুদস্ত করে তোলে।

৩ ডিসেম্বর (১৯৭১) পাকিস্তান ভারত আক্রমণ করলে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর যৌথকম্যান্ড একযোগে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করতে থাকে। ১৬ ডিসেম্বর (১৯৭১) ঢাকায় সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে এই যৌথকম্যান্ডের কাছেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমৰ্পণ করে। বাংলাদেশ চূড়ান্তভাবে যুদ্ধে জয়লাভ করে এবং পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা অর্জন করে ।

২৩ ডিসেম্বর (১৯৭১) তাজউদ্দিন আহমদের সরকার মুজিবনগর থেকে বিমানযোগে ঢাকায় আগমন করেন। তেজগাও বিমানবন্দরে তাদের বিপুলভাবে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয় ।

পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা প্রত্যাবর্তন করেন। ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়। এই নতুন মন্ত্রিসভায় তাজউদ্দিন আহমদ অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন।

১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল শাসনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটি গঠিত হলে তিনি এর সদস্য মনোনীত হন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (১৯৭২) রচনার ক্ষেত্রে তিনি বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন।

১৯৭৩ সালের নির্বাচনে তিনি (৭ মার্চ) ঢাকা-২২ আসন থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর বঙ্গবন্ধুর সরকারের সঙ্গে মতপার্থক্য সৃষ্টির হওয়ার কারণে তিনি ১৯৭৪ সালের ২৬ অক্টোবর মন্ত্রিত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সামরিক বাহিনীর কিছুসংখ্যক সদস্যের হাতে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হলে খন্দকার মোশতাক আহমদ ক্ষমতা দখল করে সারাদেশে সামরিক আইন জারি করেন। অন্যান্য নেতার সঙ্গে তাজউদ্দিন আহমদকেও গ্রেপ্তার করা হয় ২৩ আগস্ট ।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় কারাগারের প্রচলিত নিয়ম অগ্রাহ্য করা হয় এবং সশস্ত্রবাহিনীর কতিপয় সদস্য কারাগারে ঢুকে তাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর।

  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
  • Rocking the night away
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান BANGLADESH ICON আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আতিউর রহমান বেগম রোকেয়া মোস্তাফা জব্বার ভাষা শহিদ সজীব ওয়াজেদ জয় তাজউদ্দীন আহমদ শেরে বাংলা ফজলুল হক মাওলানা ভাসানী  প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বেগম সুফিয়া কামাল শেখ হাসিনা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দি কাজী নজরুল ইসলাম মাস্টারদা সূৰ্য সেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মণি সিংহ স্যার ফজলে হাসান আবেদ  সালমান এফ রহমান সুফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মোরশেদ আলম এমপি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী আহমেদ আকবর সোবহান জয়নুল হক সিকদার দীন মোহাম্মদ আজম জে. চৌধুরী প্রফেসর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাইফুল আলম মাসুদ আলহাজ্ব এম এম এনামুল হক খলিলুর রহমান এ কে এম রহমত উল্লাহ্ ইফতেখার আহমেদ টিপু শেখ কবির হোসেন এ কে আজাদ ডাঃ মোমেনুল হক আলহাজ্ব মোঃ হারুন-উর-রশীদ কাজী সিরাজুল ইসলাম নাছির ইউ. মাহমুদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ শেখ ফজলে ফাহিম প্রফেসর ড. কবির হোসেন তালুকদার মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন রূপালী চৌধুরী হেলেন আখতার নাসরীন মনোয়ারা হাকিম আলী নাসরিন সরওয়ার মেঘলা প্রীতি চক্রবর্তী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ক্যাপ্টেন তাসবীরুল আহমেদ চৌধুরী এহসানুল হাবিব আলহাজ্জ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার আলহাজ্ব খন্দকার রুহুল আমিন তানভীর আহমেদ ড. বেলাল উদ্দিন আহমদ মোঃ শফিকুর রহমান সেলিম রহমান মাফিজ আহমেদ ভূঁইয়া  মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ  শহিদ রেজা আব্দুর রউফ জেপি এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী এ কে এম সরওয়ারদি চৌধুরী ড. এম. মোশাররফ হোসেন মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন লায়ন মোঃ মোজাম্মেল হক ভূঁইয়া মোঃ মিজানুর রহমান সায়েম সোবহান আনভীর মামুন-উর-রশিদ বি এম ইউসুফ আলী মোঃ জামিরুল ইসলাম ডক্টর হেমায়েত হোসেন মোঃ শাহ আলম সরকার ফারজানা চৌধুরী এম. সামসুজ্জামান মেজর পারভেজ হাসান (অব.) এম এ মতিন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ড. এম এ ইউসুফ খান কাজী সাজেদুর রহমান ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আলহাজ্ব মীর শাহাবুদ্দীন মোঃ মুনতাকিম আশরাফ (টিটু) মোঃ আবদুর রউফ কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ আব্দুল মাতলুব আহমাদ মোঃ মজিবর রহমান মোহাম্মদ নূর আলী সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ আফতাব-উল ইসলাম মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এমপি প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ মোঃ আব্দুল্লাহ মোঃ জসিম উদ্দিন বেনজীর আহমেদ মিসেস তাহেরা আক্তার পারভীন হক সিকদার নাসির এ চৌধুরী হাফিজুর রহমান খান ড. মোহাম্মদ ফারুক কাইউম রেজা চৌধুরী মোঃ সবুর খান মাহবুবুল আলম মোঃ হেলাল মিয়া সেলিমা আহমাদ নজরুল ইসলাম ড. এ এস এম বদরুদ্দোজা ড. হায়দার আলী মিয়া ইঞ্জিনিয়ার গুলজার রহমান এম জামালউদ্দিন মোঃ আব্দুল হামিদ মিয়া মোঃ হাবিবুর রহমান মোঃ মুহিব্বুর রহমান চৌধুরী মোহাম্মদ নুরুল আমিন জিয়াউর রহমান ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী শ্যামল দত্ত জ ই মামুন আনিসুল হক সামিয়া রহমান মুন্নি সাহা আব্বাসউদ্দীন আহমদ নীলুফার ইয়াসমীন ফিরোজা বেগম শাহ আব্দুল করিম ফরিদা পারভীন সরদার ফজলুল করিম আনিসুজ্জামান আখতারুজ্জামান ইলিয়াস হুমায়ূন আহমেদ সেলিম আল দীন জহির রায়হান বুলবুল আহমেদ রওশন জামিল সৈয়দ হাসান ইমাম হেলেনা জাহাঙ্গীর অঞ্জন রায় অধ্যক্ষ আব্দুল আহাদ চৌধুরী অধ্যাপক আবু আহমেদ অধ্যাপক  আবু সাইয়িদ অধ্যাপক আমেনা মহসীন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ অধ্যাপক জয়নাল আবদিন এমপি অধ্যাপক ড. আরিফুর রহমান অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন পাটোয়ারী অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন অধ্যাপক ড. এম এ মান্নান অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী অধ্যাপক ড. শাহেদা ওবায়েদ অধ্যাপক ড. সদরুল আমিন অধ্যাপক ড. হাফিজ জি. এ. সিদ্দিকী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অধ্যাপক তৌহিদুল আলম অধ্যাপক ডা. বরেন চক্রবর্তী অধ্যাপক ডা. মতিউর রহমান অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ অধ্যাপক ডা. মোঃ হাবিবে মিল্লাত এমপি অধ্যাপক মেহতাব খানম অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম আইয়ুব বাচ্চু আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন আনিস এ. খান আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আবদুল বাসেত মজুমদার আবু সাঈদ খান আবুল কাশেম মোঃ শিরিন আবুল কাসেম হায়দার আবুল মাল আব্দুল মুহিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু আব্দুল মতিন খসরু এমপি আবদুল মুকতাদির আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী আব্দুস সালাম মুর্শেদী আমির আমির হোসেন আমু এমপি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আয়শা খানম আ স ম আবদুর রব আ স ম ফিরোজ আসাদুজ্জামান খান কামাল আসিফ ইব্রাহীম আলী রেজা ইফতেখার আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন ইনায়েতুর রহিম ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আকতার ইমদাদুল হক মিলন উপধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি এ এইচ এম নোমান এ এইছ আসলাম সানি এ কে ফাইয়াজুল হক রাজু এডভোকেট তানবীর সিদ্দিকী এডভোকেট ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি এমপি এডভোকেট মোঃ ফজলে রাব্বী এমপি এনাম আলী এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি এম এ সবুর এম নাছের রহমান এয়ার কমডোর ইসফাক এলাহী চৌধুরী (অব.) এস এম ফজলুল হক ওয়াহিদা বানু কবরী সারোয়ার কাজী ফিরোজ রশীদ কেকা ফেরদৌসী কে. মাহমুদ সাত্তার খন্দকার রুহুল আমিন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ খালেদ মুহিউদ্দীন খুশি কবির জুনাইদ আহমেদ পলক জোবেরা লিনু টিপু মুন্সী ড. আবুল বারকাত ড. কাজী কামাল আহমদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ ড. তৌফিক এম. সেরাজ ড. বদিউল আলম মজুমদার ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ড. সাজ্জাদ জহির ড. সা’দত হুসাইন মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম (অব.) বীর প্রতীক মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান (অব.) বীর বিক্রম মেহের আফরোজ চুমকি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ মিথিলা ফারজানা মীর নাসির হোসেন মীর মাসরুর জামান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন মীর শওকাত আলী বাদশা মুনিরা খান মুহাম্মদ আজিজ খান মোহাম্মদ নূর আলী মোঃ গোলাম মাওলা রনি এমপি মোঃ জসিম উদ্দিন মসিউর রহমান রাঙ্গা রাশেদ খান মেনন রাশেদা কে চৌধুরী লে. কর্ণেল মোঃ ফারুক খান (অব.) শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শাইখ সিরাজ শাওন মাহমুদ শাজাহান খান এমপি শামসুজ্জামান খান শাহীন আনাম শারমীন মুরশিদ শুভ্র দেব শিবলী মোহাম্মদ শিরীন আখতার সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন সাঈদ খোকন সাকিব আল হাসান সাগুফতা ইয়াসমিন এমেলী সাব্বির হাসান নাসির সালমা খান সালাউদ্দিন কাশেম খান সিগমা হুদা সিলভীয়া পারভীন লিনি সুকুমার রঞ্জন ঘোষ সুরাইয়া জান্নাত সুলতানা কামাল সৈয়দ আখতার মাহমুদ সৈয়দ আবুল মকসুদ সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান হাসানুল হক ইনু ড. সিনহা এম এ সাঈদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন ড. হামিদুল হক ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ড. হোসেন মনসুর ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ডা. অরূপরতন চৌধুরী ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী ডা. জোনাইদ শফিক ডা. মোঃ আব্দুল মতিন ডা. লুৎফর রহমান ডা. সরদার এ নাঈম ডা. সাঈদ আহমেদ সিদ্দিকী ডা. সামন্ত লাল সেন তোফায়েল আহমেদ তালেয়া রেহমান দিলরুবা হায়দার নজরুল ইসলাম খান নজরুল ইসলাম বাবু নবনীতা চৌধুরী নাঈমুর ইসলাম খান নমিতা ঘোষ নাঈমুর রহমান দূর্জয় নাসরীন আওয়াল মিন্টু নুরুল ইসলাম সুজন এমপি নুরুল কবীর নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি প্রকোশলী তানভিরুল হক প্রবাল প্রফেসর মেরিনা জাহান ফকির আলমগীর ফরিদ আহমেদ বেগম মতিয়া চৌধুরী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.) ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ব্যারিস্টার সারা হোসেন ভেলরি এ টেইলর মতিউর রহমান চৌধুরী মনজিল মোরসেদ মমতাজ বেগম এমপি মামুন রশীদ মাহফুজ আনাম মাহফুজ উল্লাহ